আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ী হলে ‘নাগরিক কাউন্সিল’ গঠন করে সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা-১২ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত মাথাল মার্কার প্রার্থী তাসলিমা আখতার।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে নিজের নির্বাচনি এলাকার বেগুনবাড়িতে গণসংযোগ করেন তিনি।
প্রচারণা শেষে ‘জনতার পার্লামেন্ট’ অনুষ্ঠিত হয়। তাসলিমা আখতারের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফের সঞ্চালনায় স্থানীয় অধিবাসীরা জনতার পার্লামেন্টে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জানান।
স্থানীয়রা বলেন, ঢাকার তেজগাঁও এলাকার সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা চাঁদাবাজি। আর চাঁদাবাজি যারা করেন তারা এত ক্ষমতাবান যে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেও আমাদের ভয় পেতে হয়। তেজগাঁও অঞ্চলে মশার উপদ্রবেও এলাকাবাসী অতিষ্ঠ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও জানান তারা।
তাসলিমা আখতার বলেন, তেজগাঁওয়ের বড় সমস্যা হিসেবে আমরাও চাঁদাবাজিকে চিহ্নিত করেছি।
তাই আমাদের ইশতেহারে দ্রব্যমূল্যের দাম জনগণের নাগালে রাখার পরেই দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলের কথা বলেছি। আমি যদি নির্বাচিত হই তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে। ‘নাগরিক কাউন্সিল’ গঠন করে সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করবো।
যোগ্য মানুষকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাথাল মার্কার এই প্রার্থী বলেন, যারা ভালো কাজ করেন মানুষ তাদের বলেন— আপনারা অনেক ভালো কাজ করেন।
কিন্তু ভোটাররা তাদের ভোট দেন না। আমরা প্রত্যাশা করি, এবার জনগণ যোগ্য প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন।