Image description

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

তিনি বলেছেন, ‘সদ্য সমাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে, নতুন করে নিতে হবে। সবার কাছে প্রমাণ যে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে। পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।’

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুরের পীরগাছা সদর ইউনিয়নের অনন্তরাম দশগাঁও এলাকায় স্থানীয় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে কর্মিসভায় তিনি এ দাবি জানান।

আখতার হোসেন বলেন, ‘গোপনে প্রশ্ন পেয়ে গেল, ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দিয়ে যারা পরীক্ষা দিল আর যারা মেধাবী, তারা সেখানে বঞ্চিত হলো না? তাহলে যারা প্রশ্ন কিনতে ও টাকা খরচ করতে পারল তারা যদি প্রাইমারির পরীক্ষায় টিচার হয়ে আসে, তাহলে আমাদের ছেলেমেয়েদের শেখাবে কী? আমাদের ছেলেমেয়েরাও তো তাদের কাছে নকল করেই পরীক্ষা দেওয়াটা শিখবে।’

 

নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছে যেটার অকাট্য প্রমাণ আছে, ওই পরীক্ষা বহাল রাখা চলবে না। ওই পরীক্ষা বাতিল করে যারা প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত ছিল তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। প্রশ্ন ফাঁস, দুর্নীতি ও নকল মুক্ত সত্যিকার মেধাবী শিক্ষক যাচাইয়ের মতো করে নতুন করে আবার নিয়োগ পরীক্ষা দিতে হবে। আমাদের দেশটা এরকম অনিয়মে ভরপুর হয়ে আছে। এই কারণে আমরা আমাদের দেশটাকে নিয়ে আগাতে পারিনি।

 

কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও রংপুর-৪ আসনের জোটের নির্বাচনী সম্বনয়কারী মোস্তাক আহমেদ, জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাইন বিল্লাহ, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মামুন শিমুল, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি হাফেজ ইদ্রিস আলী, ইউনিয়ন এনসিপি আহ্বায়ক আব্দুল গনি মিয়া প্রমুখ।