Image description

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার খবর- India says closely monitoring Bangladesh-Pakistan talks on JF-17 fighter jets অর্থাৎ জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সম্ভাব্য আলোচনা এবং এর ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর ভারত গভীর নজর রাখছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। দেশটির ভাষ্যমতে, জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন সব বিষয়ের ওপর তারা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খানের সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সব পরিস্থিতির ওপর আমরা গভীর নজর রাখছি।'

ছবির ক্যাপশান,দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
মানবজমিন
ছবির ক্যাপশান,মানবজমিন

সাঁড়াশি অভিযান চললেও দেশে টার্গেট কিলিং থামছে না। ব্যস্ত সড়কে, প্রকাশ্যে দিনদুপুরে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটছে। রাজনৈতিক নেতা, জুলাইযোদ্ধা, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীরা এসব হামলার শিকার হচ্ছেন। বেশির ভাগ ঘটনায় ঘাতকরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার আশঙ্কা, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন হত্যাকাণ্ড আরও বাড়তে পারে, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।

সম্প্রতি রাজধানীর কাওরান বাজারে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই সময়ে যশোর, চট্টগ্রাম, খুলনা ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতা, যুবদল নেতা, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে। কিছু ঘটনায় চার্জশিট দেওয়া হলেও মূল শুটাররা এখনো পলাতক।

বিশিষ্টজনদের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতি জনমনে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সহিংসতার এই ধারা নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে।

বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- এলপিজি ভোগান্তির মধ্যেই ঢাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

দেশে গ্যাস ও এলপিজি সংকটের মধ্যেই এবার তুরাগ নদের তলদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাইপলাইন। মালবাহী ট্রলারের আঘাতে গত বুধবার এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট। পরে এটি মেরামতকালে সঞ্চালন লাইনে পানি প্রবেশ করে। এতে নতুন করে সংকট তৈরি হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে গ্যাসের চাপ। কোথাও কোথাও একেবারেই গ্যাস নেই। বিশেষ করে আবাসিক এলাকা, ছোট শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বাণিজ্যিক গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পিএসআই চাপের পাইপলাইনটি দিয়ে রাজধানীর উত্তর ও পশ্চিমাংশের একটি বড় অংশে গ্যাস সরবরাহ হয়।

এর আওতায় রয়েছে উত্তরা, টঙ্গী, মিরপুর, পল্লবী, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, আদাবর, সাভার ও আশুলিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। এসব অঞ্চলের বহু আবাসিক ভবন, হোটেল-রেস্তোরাঁ, ছোট কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হঠাৎ করেই গ্যাসহীন হয়ে পড়েছে।

নয়া দিগন্ত
ছবির ক্যাপশান,নয়া দিগন্ত

নয়া দিগন্ত পত্রিকার আজকের খবর- নির্বাচন প্রস্তুতি জোরদার

একাধিক নতুন ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার প্রথম বড় পরিসরের মক ট্রায়াল, প্রার্থিতা সংক্রান্ত আপিল শুনানি, প্রতীক বরাদ্দের বিকেন্দ্রীকরণ এবং ব্যালট বক্স নষ্ট বা হারালে পুনঃভোটের বাধ্যতামূলক নীতিমালা- সব মিলিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন কাঠামো দাঁড়াচ্ছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে ঘিরে আস্থা সঙ্কট, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভোটব্যবস্থার ঝুঁকি- এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই কমিশন আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে দায়েরকৃত সংশ্লিষ্টদের আপিলের শুনানি আজ থেকে শুরু হচ্ছে ইসিতেই।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে পুরো কমিশন এই শুনানি গ্রহণ করবেন। প্রতিদিন ৭০টি করে আপিলের শুনানি হবে বলে ইসি থেকে জানা গেছে।

শুনানি কক্ষে আপিলকারীসহ তিনজনের বেশি প্রবেশ করা যাবে না। গতকাল আপিলের শেষ দিনে ছিল উপচে পড়া ভিড়।

বিকেল ৫টার মধ্যে যারা বুথে লাইনে ছিলেন তাদের আপিল গ্রহণ করা হয়েছে। পাঁচ দিনে মোট আপিল হয়েছে ৬৪০ জনের বলে ইসি থেকে জানা গেছে।

নিউ এইজ
ছবির ক্যাপশান,নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- Law, order yet to be restored while polls nearing অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও আইনশৃঙ্খলা এখনো স্বাভাবিক হয়নি।

জাতীয় নির্বাচন আর মাত্র এক মাস দূরে থাকলেও সারা দেশে এখনো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। সহিংসতা ও নানা ধরনের অপরাধের মধ্যে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

খুন, ডাকাতি, চুরি, অপহরণ ও চাঁদাবাজির মতো ঘটনা থামছে না। মব সহিংসতা, মাজারে হামলা, বাউলদের ওপর আক্রমণসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠছে।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকা, পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের মনোবল দুর্বল হওয়া, ঘনঘন রাজপথে বিক্ষোভ এবং রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে- এমনটাই বলছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

গত ২৯ ডিসেম্বর সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার কিচেন মার্কেটের সামনে চাঁদাবিরোধী মানববন্ধনে একদল লোক হামলা চালায়। এরপর ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজতুরি বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বির।

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান দাবি করেন, নির্বাচন সামনে রেখে দলের অগ্রগতি ঠেকাতেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে চাঁদাবাজির বিষয়টি জড়িত।

এদিকে শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিশেষ করে বিএনপির অনেক রাজনৈতিক নেতা হত্যার শিকার হলেও সরকার এসব ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

কালের কণ্ঠ
ছবির ক্যাপশান,কালের কণ্ঠ

কালের কণ্ঠ পত্রিকার শীর্ষ খবর- ভোট ঘিরে অর্থনীতিতে আশা

জাতীয় নির্বাচনের এক মাস আগে দেশের অর্থনীতিতে নতুন করে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। কয়েক বছর ধরে চলা স্থবিরতা, বিনিয়োগ সংকট ও বেকারত্ব কমার প্রত্যাশা পূরণ না হলেও নির্বাচনকে ঘিরে বেসরকারি খাতে আস্থা কিছুটা ফিরছে।

ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা মনে করছেন, নতুন রাজনৈতিক সরকার এলে নীতিগত স্থিরতা আসবে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরবে।

সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, রেমিট্যান্সপ্রবাহ ভালো থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তি এসেছে এবং ডলারের বাজারেও অস্থিরতা কমেছে। তবে মূল্যস্ফীতি আবার বাড়ছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, রাজস্ব আদায়ও কম।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার বড় ধরনের সংকট ঠেকাতে পেরেছে, কিন্তু টেকসই উন্নয়নের জন্য নির্বাচনের পর নতুন সরকারকে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে—এই প্রত্যাশাতেই এখন সবাই তাকিয়ে আছে ভোটের দিকে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছিল, তবে সেগুলোর বাস্তবায়ন ছিল ধীরগতির। এর মধ্যে ব্যাংক খাতের সংস্কার ছিল অন্যতম বড় পদক্ষেপ।

এই উদ্যোগের ফলে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রবাহে উন্নতি হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে গেছে এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

প্রথম আলো
ছবির ক্যাপশান,প্রথম আলো

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমান। গতকাল শুক্রবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানানো হয়।

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ১০টার পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ইতিমধ্যে তারেক রহমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্থায়ী কমিটি সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি যেন সফল হতে পারেন, সে জন্য সবাই দোয়া করেছেন।

গত ৩০শে ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়। এর ১০ দিনের মাথায় বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে দলের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব দেওয়া হলো।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের খবর- Young voters poised to shape next election অর্থাৎ নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত তরুণ ভোটাররা

ভোটাধিকার যে নাগরিকের মৌলিক অধিকার—এ কথা শুনে বড় হলেও অনেক তরুণই দেখেছেন, বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে সেই অধিকার কত সহজেই হারিয়ে যেতে পারে। তবে আগের তিনটি নির্বাচনের তুলনায় এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। অভ্যুত্থান, সংস্কার আর ভোটের মূল্য ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশার মধ্যে দিয়ে একটি নির্বাচনের মুখোমুখি হচ্ছে দেশের তরুণ ভোটাররা।

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকই তরুণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরে এই তরুণ ভোটাররাই হতে পারেন সবচেয়ে প্রভাবশালী শক্তি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আয়শা তোফাইল বলেন, আসন্ন নির্বাচন তাকে নাগরিক হিসেবে নিজের ভূমিকা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। তার ভাষায়, ভোট শুধু দায়িত্ব নয়, তরুণদের জন্য এটি আশা ও বাস্তবতার সঙ্গে জড়িত একটি সিদ্ধান্ত।

তিনি বলেন, ভোট দিলে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অংশ নেওয়া যায় বলে তার বিশ্বাস। কর্মসংস্থান, শিক্ষার মান ও জীবনযাত্রার ব্যয়—এসব বিষয় তরুণদের ভাবনায় আছে। ভোট দেওয়ার মাধ্যমে তারা জানাতে চান, শাসনব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অনুভূতি শুধু ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ নয়। কোটি কোটি তরুণ ভোটার এবার ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত চার্টার অনুযায়ী সম্ভাব্য সাংবিধানিক গণভোটেও তাদের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

পরিসংখ্যান বলছে, তরুণ ভোটারদের প্রভাব কতটা বড়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন প্রায় ৮ কোটি ১১ লাখ। আর ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ভোটার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখে, যার মধ্যে নারীর সংখ্যা ৬ কোটির বেশি। ১৭ বছরে ভোটার বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি—যা নির্বাচনে তরুণদের শক্ত অবস্থানই তুলে ধরে।

আজকের পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান,আজকের পত্রিকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশই উচ্চ শিক্ষিত। এর মধ্যে শতাংশের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির ৯৪ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। বিএনপিতে এই হার ৮১ শতাংশের মতো। প্রার্থীদের মধ্যে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোয়নি বা 'স্বশিক্ষিত' ৮ শতাংশের ওপরে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংসদ সদস্যরা উচ্চশিক্ষিত হলেই যে ভালো করবেন- বিষয়টি এমন নয়। বরং তাঁদের মধ্যে দেশ ও মানুষের ভালো করার মানসিকতা এবং সততা থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জোবাইদা নাসরীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'উচ্চশিক্ষিত হলেই সংসদ সদস্যরা ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন, এমনটি ধরে নেওয়া যায় না। অতীতে যাঁরা দুর্নীতি ও ক্ষমতার চর্চা করেছেন, তাঁদেরও বড় অংশ উচ্চশিক্ষিত ছিলেন। একাডেমিক শিক্ষার চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তাই একাডেমিক সার্টিফিকেট দেখেই কারও যোগ্যতা বিচার করা ঠিক নয়।'