Image description
 

কমিশন ছাড়া বিলে স্বাক্ষর করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করতে সোনাইমুড়ী উপজেলায় আসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক।
তবে অভিযুক্ত পিআইওর ও নোয়াখালী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মাসুদ আলমের সঙ্গে খোশগল্প করে ও নাস্তা করে। দায়সারা তদন্ত করে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দৈনিক জনকণ্ঠে "কমিশন ছাড়া বিলে স্বাক্ষর করেন না পিআইও"শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

অভিযোগ উঠেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ত্রাণ-১) মোহাম্মদ সানোয়ার হোসেন (৫ জানুয়ারি) সোমবার বেলা ১২ টায় সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ঠিকাদারদের বক্তব্য ও আনিত অভিযোগ তদন্ত করার কথা রয়েছে। কিন্তু তিনি তা করেননি। (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার ও প্রকল্প সভাপতিদের সাক্ষাৎকার নেয়ার বিষয়টি নোটিশে উল্লেখ করলেও তিনি তা করেননি। ৫ জানুয়ারি অভিযুক্ত পিআইওর সঙ্গে খোশগল্প করে ও নাস্তা করে চলে যান। তিনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে বের হলে পিছনে পিছনে পিআইও মিশকাত রহমান যান। সে সময় বলতে থাকেন স্যার সোনাইমুড়ী বাজারে গিয়ে দুপুরে খাওয়া খেয়ে যান। এ কথা বলতে বলতে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিচালকের গাড়িতে উঠেন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তদন্তে আসবেন। তা আগে থেকেই তিনি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন। তার আসার খবরে পিআইও মেশকাতুর রহমান ও অফিস সহকারী মামুন স্থানীয় বাজার থেকে কমলা, আঙ্গুর, আপেল, কলা, কাঠবাদাম, কাজু বাদামসহ বিভিন্ন ফল, বিস্কুট, চানাচুর ও চায়ের আয়োজন করে। স্থানীয় সাংবাদিকরা গিয়ে দেখেন তদন্ত কর্মকর্তার সামনে এই আয়োজন।

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ত্রাণ-১) মোহাম্মদ সানোয়ার হোসেন বলেন, দৈনিক জনকণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের জেরে তিনি তদন্তের দায়িত্ব পান। প্রাথমিক তদন্ত করেছেন। প্রকল্প এলাকায় গিয়ে পরিদর্শন করে অতিশীঘ্রই প্রতিবেদন দাখিল করবেন।