Image description
 

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।

এর ফলে তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

তবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী দাবি করেছেন, তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ দাবি করেন।

 

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, গণমাধ্যমে যেভাবে বিষয়টি প্রচার করা হচ্ছে, সেটি সত্য নয়। তার মনোনয়নপত্র নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। এ বিষয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভিডিও চলাকালে তিনি তার আইনজীবীকে ফোনে যুক্ত করেন।

 

বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে আইনজীবী বলেন, ব্যক্তি হিসেবে মুন্সীর কোনো ঋণখেলাপি নেই। তার কোম্পানির বিষয় নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। এ কারণে চেম্বার আদালত আগের স্টে অর্ডারটি স্থগিত করেছেন। এ বিষয়ে রোববার (১১ জানুয়ারি) আপিল করা হবে।

 

তিনি আরও দাবি করেন, স্টে অর্ডার স্থগিত হওয়া মানে মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাওয়া নয়।

এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান বলেন, বিষয়টি আপিলে নিষ্পত্তি হবে।

এ নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। এর আগে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেম্বার আদালতে আবেদন করে।

বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন।

আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার। চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ কার্যকর না থাকায় ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আইনগতভাবে ঋণখেলাপি হিসেবেই বিবেচিত থাকবেন। প্রচলিত আইন অনুযায়ী, ঋণখেলাপিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য।

এদিকে কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বার আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।