বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভিন্ন সময় অনেক নেতা ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় স্বার্থে রাজনীতিতে আপস করেছেন। কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব, যিনি তার জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন—দেশের স্বার্থ ও গণতন্ত্রের স্বার্থই ছিল তাঁর কাছে সর্বাগ্রে।
তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় চিরদিন লেখা থাকবে।
সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মঈন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এমন একজন নারী, যিনি একজন গৃহবধু থেকে দেশের কোটি কোটি মানুষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে। তিনি গণতন্ত্রের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন।
ড. মঈন খান বলেন, আজ আমরা এখানে এসেছি তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে। আজকের এই অনুভূতি প্রকাশ করার মতো কোনো ভাষা আমাদের নেই।
তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি নিজের জীবনকে তুচ্ছ করেছেন। তিনি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে থেকে রাজনীতি করেননি, বরং রাজপথে থেকে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন।
তিনি বলেন, নানান ধরনের বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো থেমে থাকেননি। তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তার শক্তি ছিল জনগণের শক্তি, বন্দুকের শক্তি নয়।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া রাজপথে ছিলেন, সংগ্রামে ছিলেন, জনগণের জন্য কথা বলেছেন এবং জনগণের অধিকার আদায়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।
ড. মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে, গণতন্ত্রের ইতিহাসে এবং ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একটি অনন্য ও অবিস্মরণীয় নাম।