Image description

শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আনন্দময় ও শিক্ষার্থীবান্ধব করার লক্ষ্যে ২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

 

বিষয়গুলো হলো আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি।

 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আনন্দময় ও শিক্ষার্থীবান্ধব করার লক্ষ্যে ২০২৭ সালের কারিকুলামে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার’ বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে আনন্দময় শিক্ষা, খেলাধুলা ও কারিগরি শিক্ষাসহ চারটি নতুন বই যুক্ত করা হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, কারিগরি দক্ষতা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই ২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রমে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে।

 

 

এহসানুল হক মিলন বলেন, ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষাক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনা হবে। শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও সময়ের প্রয়োজন বিবেচনায় পাঠ্যক্রমে আরও নতুন বই সংযোজনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

 

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমের প্রথম ধাপ শেষ হলেও দেশের অনেক কলেজে আসন খালি রয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এর প্রধান কারণ নির্ধারিত আসনসংখ্যার তুলনায় যোগ্য প্রার্থী না থাকা।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভর্তি হওয়ার জন্য যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা আবেদন করেছেন। প্রথম ধাপে আবেদনকারীদের ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পরও অনেক কলেজে আসন খালি রয়েছে। নির্ধারিত আসনের তুলনায় যোগ্য প্রার্থী না থাকাই এর প্রধান কারণ। এ কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।

 

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মঈনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ক্রীড়া সংগঠক, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।