রাজধানীর পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহমুদ হাসান মাহিনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি সৈয়দ হাসান জুবায়েরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৮ সেপ্টেম্বর এই জামিন দেন।
৬ মাসের জামিন দেওয়ার পাশাপাশি মাহিনকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন হাইকোর্ট।
এদিকে, এ জামিনে হতবাক হয়েছে নিহত সোহাগের ছেলে সোহান। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে সোহাগের ছেলে বলছে, মাহিন মাস্টারমাইন্ড তাকে কীভাবে জামিন দেওয়া হলো এটা আমি আইনের কাছে প্রশ্ন রাখলাম। আইন কতটা নিকৃষ্ট হলে ওর মতো একটা খারাপ, জঘন্য আসামিকে জামিন দেয়। এক কাজ করুক টাকা খেয়ে সবাইকে জামিন দিয়ে দিক, আর আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক। যেন অন্তত আমরা সেফ কাস্টডিতে থাকি, কারণ ওরা বের হলে তো আমরা সেফ নেই।
১১ বছর বয়সী সোহাগের ছেলে সোহান বলছে, আমাদের দুই নম্বর আসামি টিটু তাকে এখনো ধরা হচ্ছে না। ১ বছর ৩ মাস হয়ে গেছে তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। আর এ মুহূর্তে এক নম্বর আসামিকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিচ্ছে।
এদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় জানিয়েছে, এ জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করবে রাষ্ট্রপক্ষ। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আলমগীর হোসেনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে পাথর দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।