রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর মধ্যে গত বুধবার বিকালে নিখোঁজ হওয়া ৮ বছরের শিশু সাইফ ও রোহানের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে কামরাঙ্গীচর থানাধীন বুড়িগঙ্গা নদীর ঘাট উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।
একইদিন রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুল, ভাটারার ঢালী বাড়ি ও ছোলমাইদ এলাকা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতরা হলেন- মো. সাগর (৩১), মাহফুজুর রহমান ইমন (২০) ও অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি (৪৮)।
নৌ পুলিশের বরিসুর ফাঁড়ির এসআই মো. আনোয়ার হোসেন বললেন, কামরাঙ্গীরচরের রহমতবাগ এলাকার নুর নবীর ছেলে সাঈফ ও একই এলাকার মো. সোহেল মিয়ার ছেলে রোহান বুধবার থেকে নিখোঁজ ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে নদীর পাড়ে তাদের জুতা দেখতে পায় স্বজনরা। পরে কচুরিপানার মধ্যে তাদের লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দুটি তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অন্যদিকে, বাড্ডা থানার এসআই মো. ইব্রাহিম খান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে সাতারকুল জিএম বাড়ি খালপাড় এলাকার একটি বাসা থেকে মো. সাগর নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করি। নিহত সাগর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার মো. হারুনুর রশিদের ছেলে।
এসআই জানালেন, নিহত সাগর দীর্ঘদিন বেকার ছিলেন। গত বুধবার স্ত্রী আইরিন আক্তারে সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার মনোমালিন্য হয়। পরে নিজ কক্ষে স্বামী-স্ত্রী ঘুমাতে যান। রাত ৩টার দিকে জানালার গ্রিলে সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নেন সাগর।
ভাটারা থানার এসআই মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, একটি কাপড়ের দোকানের কর্মচারী ছিলেন ইমন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহত ইমনের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার আহম্মেদপুর গ্রামে। বাবার সঙ্গে ভাটারার ঢালীবাড়ি কাঁচা বাজার সংলগ্ন সিরাজুল ইসলামের বাসায় ভাড়ায় থাকতেন তিনি।
একই থানা এলাকার ছোলমাইদ ঢালীবাড়ি এলাকার খানাস রেস্টুরেন্টের পিছনে থাকা পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ভাটারা থানার এসআই মোহাম্মদ সেলিম শাহ জানান, পুকুরের পানিতে ভাসমান অবস্থায় ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীনভাবে এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। ধারণা করা হচ্ছে- পুকুরের পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।