শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে নারী-পুরুষের সমতার চিত্র ইতিবাচক হলেও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নারীর প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক সূচকে পিছিয়েছে বাংলাদেশ। নারী-পুরুষ বৈষম্য কমানোর বৈশ্বিক সূচকে এক বছরে পিছিয়েছে ৫৫ ধাপ। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৪তম। এবার ১৪৫টি দেশের মধ্যে অবস্থান হয়েছে ৭৯তম। রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণে বড় পতনের পরও দক্ষিণ এশিয়ায় এখনো শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২৬’ বা ‘বৈশ্বিক লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য প্রতিবেদন ২০২৬’-এ এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের সব তথ্য একই বছরের নয়। সূচকভেদে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য নেওয়া হয়েছে। অর্থনীতি ও শিক্ষার তথ্য মূলত ২০২৩-২৫ সালের এবং স্বাস্থ্যের তথ্য ২০২১-২৪ সালের। সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্বের হিসাব ১ জুন ২০২৬ এবং মন্ত্রিসভার হিসাব ১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। নারী সরকারপ্রধানের হিসাব নেওয়া হয়েছে ১৫ জুন ১৯৭৬ থেকে ১৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। এ সময়ে বিভিন্ন সরকার দায়িত্বে ছিল। এর মধ্যে বর্তমান বিএনপি সরকারের বয়স প্রায় ৭ মাস।
প্রতিবেদনে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবনতির চিত্র আছে। অন্যদিকে শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ কিছুটা চোখে পড়লেও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পদে বা ব্যবস্থাপনায় নারী দেখাই যায় না। আছে কাঠামোগত সমস্যা। এসব কারণে বাংলাদেশের স্কোর কমেছে, পেছনে চলে গেছে।ফাহমিদা খাতুন, সম্মাননীয় ফেলো, সিপিডি
ডব্লিউইএফ প্রতিবছর এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন—এই চার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সমতার ব্যবধান মাপা হয়। একটি দেশ এই ব্যবধান কতটা কমাতে পেরেছে, সূচকটি মূলত সেটিই দেখায়; নারীর সামগ্রিক জীবনমান নয়।
এবার বাংলাদেশের সামগ্রিক স্কোর ৭১ দশমিক ২ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এক বছরে স্কোর কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট। প্রতিবেদনে এটিকে বিশ্বের অন্যতম বড় পতন বলা হয়েছে। তবে ২০০৬ সালের তুলনায় বাংলাদেশের স্কোর এখনো ৮ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিবেদনে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবনতির চিত্র আছে। অন্যদিকে শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ কিছুটা চোখে পড়লেও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পদে বা ব্যবস্থাপনায় নারী দেখাই যায় না। আছে কাঠামোগত সমস্যা। এসব কারণে বাংলাদেশের স্কোর কমেছে, পেছনে চলে গেছে। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ভালো।
এবার বাংলাদেশের সামগ্রিক স্কোর ৭১ দশমিক ২ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এক বছরে স্কোর কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট। প্রতিবেদনে এটিকে বিশ্বের অন্যতম বড় পতন বলা হয়েছে। তবে ২০০৬ সালের তুলনায় বাংলাদেশের স্কোর এখনো ৮ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
বড় পতন রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে
বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার প্রধান কারণ রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের স্কোরের বড় পতন। এ ক্ষেত্রে স্কোর ৭২ দশমিক ১ থেকে কমে ৫০ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে। অবস্থান তৃতীয় থেকে নেমে হয়েছে ১২তম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর গঠিত নতুন সংসদে নারীরা মাত্র ২ দশমিক ৪ শতাংশ আসন পেয়েছেন। সংসদে নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এটি বাংলাদেশের এযাবৎকালের সর্বনিম্ন সমতার স্কোর। এ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৯তম।
মন্ত্রিসভায় নারীর প্রতিনিধিত্ব ১৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। তবে দুই দশকে মন্ত্রিসভায় নারী-পুরুষ সমতার স্কোর ৯ দশমিক ১ থেকে বেড়ে ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে।
রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বড় পতনের পরও বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলক ভালো। এর কারণ নারী সরকারপ্রধান থাকার দীর্ঘ ইতিহাস। এ সূচকে বাংলাদেশ ২০১৯ সাল থেকে পূর্ণ সমতার স্কোর ধরে রেখেছে এবং যৌথভাবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে।
নারীর আনুমানিক বার্ষিক আয় ৪ হাজার ৬৭০ ডলার। পুরুষের আয় ১২ হাজার ৪৪০ ডলার। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপকদের মধ্যে নারী মাত্র ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ। পেশাজীবী ও কারিগরি কর্মীদের মধ্যে নারীর অংশ ২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
অর্থনৈতিক অংশগ্রহণে প্রায় তলানিতে
বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্বল ক্ষেত্র অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ। এ ক্ষেত্রে স্কোর ৪৫ দশমিক ৭ থেকে কমে ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে। ১৪৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪২তম। গত বছর ছিল ১৪১তম।
এক বছরে আনুমানিক আয়ের সমতার স্কোর ১৫ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে। শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের সমতার স্কোর কমেছে ৫ দশমিক ৭ এবং জ্যেষ্ঠ পদে প্রতিনিধিত্বের স্কোর কমেছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ পয়েন্ট।
নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ৩৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। পুরুষের ক্ষেত্রে তা ৭৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ২০০৬ সালে শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের সমতার স্কোর ছিল ৬১ দশমিক ১ শতাংশ। এবার তা কমে ৪৮ শতাংশ হয়েছে।
নারীর আনুমানিক বার্ষিক আয় ৪ হাজার ৬৭০ ডলার। পুরুষের আয় ১২ হাজার ৪৪০ ডলার। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপকদের মধ্যে নারী মাত্র ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ। পেশাজীবী ও কারিগরি কর্মীদের মধ্যে নারীর অংশ ২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
অর্থনীতিতে নারীদের জন্য সুযোগ আগের মতোই আছে বা বেড়েছে, তবে তাঁদের অংশগ্রহণ কমেছে। তৈরি পোশাক খাতে মালিকেরা সব সময় নারী শ্রমিকদের বেশি অগ্রাধিকার দেন। কারণ, তাঁরা তুলনামূলক দায়িত্বশীল, কাজে বেশি মনোযোগী এবং কর্মপরিবেশে ঝামেলা কম করেন। তাই সুযোগের কোনো ঘাটতি রয়েছে বলে আমি মনে করি না।এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক
নারীদের বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক ও খণ্ডকালীন কাজে যুক্ত। নারী কর্মীদের ৯৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন। পুরুষের ক্ষেত্রে এ হার ৭৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। কর্মজীবী নারীদের ৫৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ খণ্ডকালীন কাজ করেন; পুরুষের ক্ষেত্রে তা ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক এ বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘অর্থনীতিতে নারীদের জন্য সুযোগ আগের মতোই আছে বা বেড়েছে, তবে তাঁদের অংশগ্রহণ কমেছে। তৈরি পোশাক খাতে মালিকেরা সব সময় নারী শ্রমিকদের বেশি অগ্রাধিকার দেন। কারণ, তাঁরা তুলনামূলক দায়িত্বশীল, কাজে বেশি মনোযোগী এবং কর্মপরিবেশে ঝামেলা কম করেন। তাই সুযোগের কোনো ঘাটতি রয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
নারীদের এই অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার পেছনে কিছু কারণ অনুমান করেন ফজলুল হক। তিনি বলেন, দেশে কাজের প্রধান কেন্দ্রগুলো এখনো শহরকেন্দ্রিক। বর্তমানে শহরে জীবনযাত্রার ব্যয় প্রচণ্ড বেড়েছে। আগে নারীরা যেভাবে দলবদ্ধ হয়ে মেস বা ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে পারতেন, এখন সেই ব্যয় বহন করা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া পরিবার ছেড়ে শহরে আসার ক্ষেত্রে বাড়তি সামাজিক ঝুঁকি, শারীরিক সুরক্ষা ও মানসিক চাপ নেওয়ার প্রবণতাও আগের চেয়ে কমেছে। আরেকটি চিত্রও আছে। এখন গ্রামে কৃষি বা অন্যান্য অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের সম্পৃক্ততা বেড়েছে। অনেকে ঘরে বসে ছোটখাটো অর্থনৈতিক কাজ করছেন। অনানুষ্ঠানিক খাতের এই নারীরা অনেক সময় আনুষ্ঠানিক হিসাবের মধ্যে সঠিকভাবে উঠে আসে না।
নারীদের বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক ও খণ্ডকালীন কাজে যুক্ত। নারী কর্মীদের ৯৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন। পুরুষের ক্ষেত্রে এ হার ৭৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। কর্মজীবী নারীদের ৫৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ খণ্ডকালীন কাজ করেন; পুরুষের ক্ষেত্রে তা ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
শিক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর
শিক্ষায় বাংলাদেশের অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে। এবার এ ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমতার স্কোর হয়েছে ৯৬ দশমিক ১ শতাংশ, যা বাংলাদেশের এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। ২০০৬ সালের তুলনায় স্কোর বেড়েছে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ পয়েন্ট।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় বাংলাদেশ পূর্ণ সমতা অর্জন করেছে। তবে উচ্চশিক্ষায় ব্যবধান রয়ে গেছে। উচ্চশিক্ষায় নারীর ভর্তির হার ২০ দশমিক ৭৯ এবং পুরুষের ২৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ। নারীর সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। পুরুষের ক্ষেত্রে তা ৮১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
স্বাস্থ্যসূচক প্রায় অপরিবর্তিত
স্বাস্থ্য ও টিকে থাকার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ৯৬ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় স্কোর অপরিবর্তিত থাকলেও অবস্থান ১২৩তম থেকে ১২০তম হয়েছে।
জন্মের সময় নারী-পুরুষের অনুপাতের সূচকে বাংলাদেশ পূর্ণ সমতার মান অর্জন করেছে। তবে ২০১৪ সালের পর থেকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার প্রত্যাশিত আয়ুতে সমতা সামান্য কমেছে। নারীর সুস্থভাবে বেঁচে থাকার প্রত্যাশিত আয়ু ৬২ দশমিক ৯৮ বছর এবং পুরুষের ৬৩ দশমিক ১৪ বছর।
প্রতিবেদনের প্রাসঙ্গিক সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ নারীর বাল্যবিবাহ হয়। জীবদ্দশায় লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হন ৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ নারী। দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতিতে সন্তান প্রসবের হার ৫৯ শতাংশ। প্রতি ১ লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যু ১১৫। পরিবার পরিকল্পনার চাহিদা পূরণ হচ্ছে না ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১০ শতাংশ নারীর।
নারীদের জন্য বেতনসহ অভিভাবকত্বকালীন ছুটি ১১২ দিন। পুরুষদের জন্য এমন ছুটি নেই। প্রতিবেদনে নারীর বিবাহবিচ্ছেদের অধিকারকে অসম এবং প্রজননস্বাধীনতাকে সীমিত বলা হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় এখনো প্রথম বাংলাদেশ
সামগ্রিক অবস্থানে বড় পতনের পরও দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ প্রথম। মালদ্বীপ ১১৯তম, নেপাল ১২০তম, ভুটান ১২১তম, শ্রীলঙ্কা ১২৯তম, ভারত ১৩১তম এবং পাকিস্তান ১৪৩তম।
আটটি অঞ্চলের মধ্যে এর অবস্থান সপ্তম। বর্তমান গতিতে এ অঞ্চলের নারী-পুরুষ ব্যবধান পুরোপুরি দূর হতে আরও ১৪৯ বছর লাগবে বলে ডব্লিউইএফের পূর্বাভাস।
সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটি নারী-পুরুষের ব্যবধানের ৯৩ শতাংশ দূর করেছে। এরপর রয়েছে ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, নামিবিয়া ও যুক্তরাজ্য। তাদের স্কোর যথাক্রমে ৮৭ দশমিক ২, ৮৫ দশমিক ৭, ৮৪ দশমিক ৫ ও ৮৪ দশমিক ২ শতাংশ।
শীর্ষে আইসল্যান্ড, সবার নিচে চাদ
সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটি নারী-পুরুষের ব্যবধানের ৯৩ শতাংশ দূর করেছে। এরপর রয়েছে ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, নামিবিয়া ও যুক্তরাজ্য। তাদের স্কোর যথাক্রমে ৮৭ দশমিক ২, ৮৫ দশমিক ৭, ৮৪ দশমিক ৫ ও ৮৪ দশমিক ২ শতাংশ।
সবচেয়ে নিচে রয়েছে চাদ। দেশটি নারী-পুরুষের ব্যবধানের ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ দূর করতে পেরেছে। এর ঠিক ওপরে রয়েছে ইরান ও পাকিস্তান। তাদের স্কোর যথাক্রমে ৫৮ দশমিক ৫ ও ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ।
সবশেষে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে নারী-পুরুষের ব্যবধান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে কম। এ ব্যবধানের ৬৯ দশমিক ২ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান গতিতে পুরো সমতা অর্জন করতে আরও ১২০ বছর লাগবে। অর্থাৎ এখন বেঁচে থাকা নারীরা তাঁদের জীবদ্দশায় পূর্ণ নারী-পুরুষ সমতা দেখে যেতে পারবেন না। এমনকি তাঁদের নাতি-নাতনি বা পরবর্তী প্রজন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।