নিয়োগ বাণিজ্য আড়াল করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চিঠি জালিয়াতিতে অভিযুক্ত গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সরকারকে একহাত নিয়েছেন ইসলামি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে এক পোস্টে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহকে দলীয়করণের নিন্দা জানান তিনি।
নিজের ভেরিফায়েড গণমাধ্যমের প্রতিবেদন যুক্ত করে ফেসবুকে সিবগা লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বললেন, দলীয় নিয়োগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অবস্থা। আমরা ভাবলাম, উনি মনে হয় পরিবর্তনের প্লান করছেন। কিন্তু দেখেন ওনার নিয়োগকৃত ভিসির কী অবস্থা! ইন্টেরিমের সময় উনি গোবিপ্রবির প্রো-ভিসি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অর্থ নিয়ে নিয়োগের অভিযোগ আসায় ইউজিসি তদন্ত কমিটি করে তদন্ত করতে নির্দেশ দেয় ‘
তিনি আরও লিখেন, ‘দল ক্ষমতায় আসায় উনি প্রো-ভিসি থেকে ভিসি হয়ে ফেইক অফিস আদেশ ছড়িয়ে বললেন, খালাস পেয়েছেন। কত বড় বাটপার! হাসিনার আমলে ১৬ বছর নিয়োগ জালিয়াতি হয়েছে। এখন এ ধরণের ভিসিরে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী কী পরিবর্তন আনবেন? উনি নকল খুঁজতে যান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হলরুমে আর তাঁর ভিসিতো ইউজিসির অফিস আদেশই নকল করেন!
শেইম, শেইম!’
উল্লেখ্য, গোবিপ্রবিতে প্রোভিসি নিয়োগ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে ২০ লাখ টাকায় শিক্ষক বানাতে চাওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন প্রভাষক পদে আবেদন করা এক নিয়োগপ্রার্থী। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫ ফেব্রুয়ারি তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ইউজিসি। এই কমিটিকে তদন্ত করে পরবর্তী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশ দিতে বলা হয়। সুপারিশ পাওয়ার পর গত ৪ মে সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে ইউজিসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে চিঠি দেওয়া হয়। তবে তার আগেই ভূয়া চিঠি তৈরি করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বসেন অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান।