Image description
  • সাধারণ পণ্য ও গ্যাজেটের আড়ালে অনলাইনে মাদকের প্রচার
  • রিলস-শর্ট ভিডিওর কমেন্টেও সাংকেতিক কোডে ক্রেতা খোঁজে চক্র
  • ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মেও মিলছে মাদকের সন্ধান
  • অনলাইন মাদক কারবারে তরুণদের টার্গেট করছে চক্র
  • অর্ডার নেওয়ার পর হোম ডেলিভারিতে পৌঁছে যাচ্ছে মাদক

এক সময় মাদক কিনতে নির্দিষ্ট স্পটে যেতে হতো। এখন বদলে গেছে সেই বাস্তবতা। প্রযুক্তির উৎকর্ষকে কাজে লাগিয়ে দেশে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে অনলাইনভিত্তিক মাদকের কারবার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ডার্ক ওয়েব, ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের মতো বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গোপনে চলছে মাদক ব্যবসা।

 


সাধারণ পণ্য, গ্যাজেট কিংবা রাসায়নিকের আড়ালে দেওয়া হচ্ছে মাদকের বিজ্ঞাপন। সাংকেতিক ভাষায় খোঁজা হচ্ছে ক্রেতা। অর্ডার নেওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রে মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ক্রেতার বাড়ির দরজায়।
প্রযুক্তির অপব্যবহারে মাদকের বাজার এখন আর নির্দিষ্ট এলাকা বা স্পটে সীমাবদ্ধ নেই। ঘরে বসেই অনলাইনে মিলছে মাদকের সন্ধান, সহজ হচ্ছে ক্রয়-বিক্রয়। বিশেষ করে তরুণদের টার্গেট করে গড়ে উঠছে বিভিন্ন গোপন গ্রুপ ও অনলাইন নেটওয়ার্ক।

সম্প্রতি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইনে রাসায়নিক বিক্রির সাইটে অভিযান চালিয়ে মাদক ও মাদক তৈরিতে ব্যবহারযোগ্য নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক উদ্ধারের ঘটনায় সামনে এসেছে অনলাইনভিত্তিক মাদক কারবারের ভয়ংকর এই চিত্র।

image

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, অনলাইনে মাদক কেনাবেচার জন্য অপরাধীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। সাধারণ কোনো পণ্য, পোশাক বা গ্যাজেটের পণ্যের ফেসবুক পেইজ কিংবা বিভিন্ন গ্রুপের আড়ালে মাদকের গোপন কারবার চালায়। অনেক সময় ইনবক্সে বা বিভিন্ন রিলস এবং শর্ট ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে বিশেষ সাংকেতিক কোড ব্যবহার করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা হয়। বিশেষ করে তরুণদের টার্গেট করে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য ইনভাইটেশন-ওনলি বা গোপন চ্যাট গ্রুপ। যেখানে নতুন সদস্য যুক্ত হতে হলে বিশ্বস্ত রেফারেন্সের প্রয়োজন হয়। আর এসকের মাধ্যমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে চক্রের সদস্যরা মাদক বিক্রি করছে।

 

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের ৬০ জেলায় মাদকসংক্রান্ত মামলা হয়েছে। তবে ঠাকুরগাঁও, বান্দরবান, পটুয়াখালী ও ভোলা-এই চার জেলায় এ ধরনের কোনো মামলা হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেনসিডিল, হেরোইন ও গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকের সরবরাহ কমলেও প্রতিবছর বাড়ছে ইয়াবার সরবরাহ। সব ধরনের মাদকের সবচেয়ে বড় ‘হাট’ রাজধানী ঢাকা। ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হওয়ায় আশপাশের গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলেও মাদকের হাট বিস্তৃত হয়েছে।

অনলাইনে সক্রিয় চক্রের সদস্যরা

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজে বিজ্ঞাপন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছিল একটি চক্র। বিষয়টি জানতে পেরে ক্রেতা সেজে ওই চক্রের কাছ থেকে মাদক সংগ্রহ করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) কর্মকর্তারা। পরে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তরল পদার্থটি রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষায় এতে গাঁজার প্রধান মাদকীয় উপাদান টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল (টিএইচসি)-এর উচ্চমাত্রার উপস্থিতি পাওয়া যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর চক্রটিকে ধরতে ফাঁদ পাতেন ডিএনসির কর্মকর্তারা। আরও তিন বোতল মাদকের অর্ডার দেওয়া হয়। অর্ডার করা পার্সেল পৌঁছে দিতে এসে গত ১৬ আগস্ট হাতেনাতে গ্রেফতার হন দারাজের এক পণ্য সরবরাহকারী কর্মী।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় ডিএনসি। সেখান থেকে মাদকসহ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানের সময় ওই বাসা থেকে ৬২০ মিলিলিটার টিএইচসি মাদক উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা। এছাড়াও মাদক প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৫০টি ছোট কাচের বোতল, দারাজের লগুযুক্ত পলিথিন প্যাকেট, কম্পিউটার ও মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।

image

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতার আনিসুর রহমান পেশায় একজন কেমিস্ট। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি জাপানে যান। সেখান থেকে দেশে ফিরে হাতে তৈরি সাবানের ব্যবসা শুরু করেন। এই ব্যবসার আড়ালে মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন। দারাজসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মাদক বিক্রি করছেন তিনি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আনিসুরের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ভারত থেকে অবৈধ পথে এসব মাদক দেশে আনা হতো। পরে তা ছোট বোতলে ‘সিবিডি তেল’ নামে ভরে অনলাইনে বিক্রি করা হতো।

এ ঘটনায় গত ১৭ আগস্ট বাড্ডা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আনিসুর রহমানের পাশাপাশি দারাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালককেও (এমডি) আসামি করা হয়েছে।
এছাড়াও গত ২৬ আগস্ট মরফিন থেকে হেরোইন তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ বিক্রির অভিযোগে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ই-কেম’-এর আইটি ম্যানেজার মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)।

এ সময় তার কাছ থেকে ৫০০ মিলিলিটার অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইড, ১ লিটার অ্যাসিটোনসহ মোট ৬ লিটার রাসায়নিক পদার্থ জব্দ করা হয়।
ডিএনসি কর্মকর্তারা জানান, জব্দ করা এসব রাসায়নিক মরফিন থেকে হেরোইন তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মেহেদী হাসান ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘অনলাইনে মাদক বিক্রি রোধে সাইবার পেট্রোলিং করে ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা দল। এসময় অনলাইনে রাসায়নিক পদার্থ বিক্রির একটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যায়। পরে যাচাই করে দেখা যায়, ‘ই-কেম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্ডার নিচ্ছে। পরে প্রতিষ্ঠানটির অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ৫০০ মিলিলিটার এসিটিক অ্যানহাইড্রাইডের অর্ডার করা হয়। অর্ডার নেওয়ার সময় ক্রেতার কাছ থেকে নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক কেনার অনুমোদন, লাইসেন্স বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যসংক্রান্ত কোনো নথি চাওয়া হয়নি। পরে পণ্যটি ঢাকার নিকেতন এলাকায় পৌঁছালে গোয়েন্দা দল অভিযান চালিয়ে পার্সেল থেকে ৫০০ মিলিলিটার এসিটিক অ্যানহাইড্রাইড ও ১ লিটার এসিটোন জব্দ করা হয়।’

City & Local Guides

 

মেহেদী হাসান আরও বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে পার্সেল সরবরাহকারী জানান, ই-কেমের কার্যালয় কুড়িল-প্রগতি সরণি এলাকায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে ওই কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানের আইটি ম্যানেজার মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানকালে নিয়ন্ত্রিত প্রিকারসর কেমিক্যাল বিক্রির কাগজপত্রসহ মোট ৬ লিটার রাসায়নিক পদার্থ জব্দ করা হয়।’
প্রিকারসর কেমিক্যাল হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ, যার বৈধ শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যবহার রয়েছে। তবে এসব রাসায়নিক অবৈধভাবে মাদক উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণেও ব্যবহার করা হতে পারে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২-এর উপধারা (১৯)-এ প্রিকারসর কেমিক্যালের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই আইনের তফসিলের ‘ক’ শ্রেণির ৮ নম্বর ক্রমিকে এসব রাসায়নিকের তালিকা রয়েছে।
এর মধ্যে অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইড হেরোইন তৈরির প্রক্রিয়ায় এবং পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট কোকেন তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হতে পারে। এছাড়া অ্যাসিটোন, ইথাইল ইথার, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, মিথাইল ইথাইল কিটোন ও টলুইনের মতো রাসায়নিকও অবৈধ মাদক উৎপাদনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার হতে পারে।

image

এ ঘটনায় অনলাইনের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ পলাতকদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। পাশাপাশি জব্দ করা রাসায়নিক, উদ্ধার করা নথিপত্র ও অন্যান্য আলামত পরীক্ষা করে দেখছেন তারা। একই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব রাসায়নিকের উৎস, সরবরাহব্যবস্থা, ক্রেতা ও সম্ভাব্য ব্যবহার শনাক্ত করার বিষয়েও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন।

মহাপরিচালকের হুঁশিয়ারি

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘ডিজিটাল ট্র্যাকে ‘ডিলিট’ বলে কিছু নেই। অনলাইনে বা ডিভাইসে অপরাধের প্রমাণ বা ট্রেইল থেকেই যায়। যারা অনলাইনে মাদকের অবৈধ কারবার করছে, তাদের ডিজিটাল ট্রেইল শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে তথ্যের ঘাটতি ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে অনলাইনে অভিযান চালানো সম্ভব হতো না। নতুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সুফল হিসেবে এখন অনলাইন অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার করা সহজ হয়েছে। কেউ অনলাইনে মাদকের প্রচার চালালে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। নতুন আইনে অবৈধ ও নেশাজাতীয় মাদক বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে কঠোর নজরদারি বজায় রাখছে। মাদকের সঙ্গে যাদেরই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

City & Local Guides

 

নজরদারি বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘অনলাইনে মাদক বিক্রি নিয়ে আমরা নিয়মিত সাইবার পেট্রোলিং করছি। যারা এই সকল কাজের সঙ্গে জড়িত আমরা তাদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা অনলাইনে নজরদারি বাড়িয়েছি। আমাদের কাজ চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে খুব দ্রুতই আপনারা রেজাল্ট দেখতে পাবেন।’

image

পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা প্রয়োজন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক, সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অনলাইনভিত্তিক মাদক ব্যবসা বর্তমানে দেশের তরুণ সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ও আশঙ্কাজনক হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বড় বিপর্যয় সংকেত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
’শুধু আইন প্রয়োগ বা কঠোর সাজা দিয়ে এই অনলাইন মহামারি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা। সন্তানরা ইন্টারনেটে কার সঙ্গে মিশছে, দীর্ঘ সময় ধরে কী করছে এবং বাড়ি বা হোস্টেলের ঠিকানায় সন্দেহজনক কোনো পার্সেল আসছে কি না, সেদিকে অভিভাবকদের কড়া নজর রাখতে হবে।’
ড. তৌহিদুল হক আরও বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্তরে সচেতনতামূলক সেমিনার করা এবং ইন্টারনেটে সন্দেহজনক কোনো পেজ বা গ্রুপের সন্ধান পেলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করতে পারলে তাহলে এমন পরিস্থিতে থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।