Image description

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) তাপসী রাবেয়া ছাত্রী হলের ডাইনিং ব্যবস্থার অনিয়ম, নিম্নমানের খাবার ও সেবার মান নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে ফোন করে জেরা করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্ট ড. নাজনীন নাহারের বিরুদ্ধে। এসময় তিনি অভিযোগকারী ছাত্রীদের ‘বেঈমান’ বলেও আখ্যায়িত করেন।

জানা যায়, সম্প্রতি তাপসী রাবেয়া হলের ডাইনিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এবং হল প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত এবং টানা তিন মাস নির্ধারিত মিল (খাবার) না নিলে আবাসিক সিট বাতিলের বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর হলের প্রভোস্ট সেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ও যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেনকে ফোন করে জেরা করেন। 

তিনি সাংবাদিক ইমরানকে ফোন দিয়ে বলেন, কারো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য তুমি আমার সম্মান নিয়ে টানাটানি করেছো। তুমি আমাকে ফোন দেওয়ার পরে আমি অফিসে গিয়ে সবার সাথে কথা বলেছি এবং যাদের ব্যাপারে অভিযোগ এসেছে সবাইকে সতর্ক করেছি, তারপরেও কেনো তোমরা নিউজ করলে? এই হলের অবস্থা আগে আরো খারাপ ছিলো, আমি আসার পর সেগুলো উন্নতি করেছি। 

তিনি আরও বলেন, হলের ছাত্রীরা হলো সব বেঈমান, আরেক প্রভোস্ট আসুক দেখি কি করে। তোমাদের যা মনে চায় লেখো, আমি তোমাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। তোমাদের সাহস কি করে হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র শিক্ষক, যে কিনা সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গল কামনা করে, তাকে নিয়ে লেখালেখি করার। প্রশাসনকে আমি বলবো আমি আর হল প্রভোস্ট হিসেবে থাকব না, সাংবাদিকরা আমাকে জ্বালাচ্ছে। আমার একটা সম্মান আছে, আমার স্বামীর একটা সম্মান আছে। তোমরা আমাকে নিয়ে পত্রিকায় এভাবে লেখতে পারো না।

এ বিষয়ে জানতে তাপসী রাবেয়া হলের প্রভোস্ট ড. নাজনীন নাহারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না।