Image description

শহীদ সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি, আসাদুজ্জামান তুহিন, গোলাম রব্বানী নাদিম, শেলু আকন্দসহ বিগত সময়ে নিহত ৪৩ সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত এবং সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ)।

আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বিপিজেএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দের সঞ্চালনায় আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান।

প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সাধারণ সম্পাদক জাওহার ইকবাল খান। এছাড়া বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতির (বানাসাস) সভাপতি নাসিমা আক্তার সোমা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন ও মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম সংহতি প্রকাশ করেন।

এ সময় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রফিক, দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ, দৈনিক নতুন কাগজের সম্পাদক জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাফিজ মাহবুব, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মেস সংঘের মহাসচিব মো. আয়াতুল্লাহ আক্তার, বিপিজেএফের সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম বাবু, এফ রহমান রুপক এবং আইনবিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবুলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও হামলার ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য বড় হুমকি। বছরের পর বছর ধরে আলোচিত অনেক সাংবাদিক হত্যা মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।

তারা অবিলম্বে সাগর-রুনি, গোলাম রব্বানী নাদিম, আসাদুজ্জামান তুহিন, শেলু আকন্দসহ সকল নিহত সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, হামলা ও হয়রানি বন্ধ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়।

কর্মসূচির শেষে নিহত সাংবাদিকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

ঢাকাটাইমস