মোবাইল অ্যাপে পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, আর বন্ধুত্বের টানেই সুদূর চীন থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামের এক স্কুলছাত্রী তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন দেশটির এক নাগরিক। তার আগমনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। চীনা যুবককে একনজর দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকার সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে ওই চীনা নাগরিক অবস্থান নেন। ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্বের সূত্র ধরে তার এই আগমন বলে জানিয়েছে পরিবার।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সেই বন্ধুত্বের টানেই তিনি বাংলাদেশে বেড়াতে এসেছেন।
স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, প্রায় ৫ মাস ধরে আমার মেয়ের সঙ্গে চীনা নাগরিক সুবেদের পরিচয়। মেয়ে প্রথমে আমাদের জানালে আমরা ওই ছেলেকে দেশে আসতে বলি। পাসপোর্ট-ভিসা করে গতকাল ওই ছেলে দেশে আসলে আমরা এয়ারপোর্ট থেকে বাসায় নিয়ে আসি। মেয়ের বন্ধু হিসেবে তিনি কিছুদিন আমাদের বাসায় থেকে আবার ফিরে যাবে।
এ বিষয়ে ওই শিক্ষার্থী বলেন, অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় হওয়ার পর সে আমার বন্ধু হতে চায়। বন্ধুত্বের পর সে বাংলাদেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রথমে আমি বিশ্বাস করিনি। ৫ মাস পর সে পাসপোর্ট-ভিসার ছবি পাঠায়। আমি বিষয়টি পরিবারকে জানালে তারা তাকে এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে আসে। আমাদের সম্পর্ক কেবল বন্ধুত্বের। সে কিছুদিন বেড়ানোর পর আবার তার দেশে ফিরে যাবে।
জোয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর বলেন, ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকায় চীন থেকে এক যুবক এসেছেন। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় ও বন্ধুত্বের সূত্র ধরে তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। তবে তার আগমনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী তা জানি না।