রাষ্ট্রপতি পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর তার এই পদত্যাগপ্রক্রিয়া এবং সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত লিখিতপত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করেছেন।
সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদে কী বলা আছে?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, মেয়াদ এবং অভিশংসনসংক্রান্ত বিবরণ রয়েছে। পদত্যাগসংক্রান্ত বিষয়টিতে সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
পরবর্তী পদক্ষেপ: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও নতুন নির্বাচন
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন এবং অন্তর্বর্তীকালীন মেয়াদে পদ সামলানোর বিধান নির্দিষ্ট করা রয়েছে।
সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় বলা হয়েছে:
স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।