বগুড়া ছাড়িয়ে সারা দেশে এখন এলজিইডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সরস আলোচনা। ‘নামে কী আসে যায়’ কথাটি এই প্রতিমন্ত্রীর কাছে একেবারেই বেমানান। তার কাছে ‘নামেই সব আসে যায়’। নিজের নাম, স্ত্রীর নাম, দুই ছেলের নাম, এমনকি মেয়ের নামও যদি চারপাশের দেয়ালে খোদাই করা না যায়, তবে আর ক্ষমতাবান হয়ে লাভ কী!
ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ নিয়ে সম্প্রতি তোপের মুখে পড়েছেন এই প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী। তবে তাকে যারা আগে থেকেই চেনেন, তারা জানেন এটি তার বেশ পুরনো বাতিক।
এ প্রসঙ্গে বগুড়ার একজন জ্যেষ্ঠ নাগরিক নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে টাইমস অব বাংলাদেশ’কে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কেউ ব্যক্তি পরিচিতি বাড়াতে চায়, তার সম্পদ দেখাতে চায়। কেউ মনে করে সমাজে তার মর্যাদা বাড়বে যদি নাম বাড়ানো যায়।’
নামের জোয়ারে ভাসছে শিক্ষা ও তেলের ব্যবসা
প্রতিমন্ত্রীর এই নাম-প্রীতির সূচনা ২০০১ সালে। নিজ এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘বেতগাড়ী মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’। এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবা আলাউদ্দিন টাইমস’কে জানান, এই বিদ্যালয়ের জমিদাতা স্বয়ং শাহে আলম। এখন এটি এমপিওভুক্ত এবং চার থেকে সাড়ে চারশ মেয়ে এখানে পড়াশোনা করে। প্রধান শিক্ষক মাহবুবা আলাউদ্দিন আরও জানান, এই স্কুলেই প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী লাবণী আক্তারের নামে একটি ভবন আছে। একই ক্যাম্পাসে আবার আছে ‘বেতগাড়ী মীরবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়’।
২০০৩ সালে করলেন ‘বেতগাড়ী মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। এই কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আ. আলীম জানান, এরও জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা শাহে আলম। এই প্রতিষ্ঠানেও স্ত্রীর নামে ‘মীর লাবণী আক্তার’ ভবন করেছেন প্রতিমন্ত্রী। ২৩ বছরের পুরনো এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হালচাল জানাতে গিয়ে সাবেক অধ্যক্ষ মো. আ. আলীম এক প্রশ্নে বলেন, ‘এটা এমপিওভুক্ত নয়। ২০২২ সালে এমপিওভুক্ত হওয়ার পরেও তা বাতিল হয়ে গিয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন নতুন করে করা হয়েছে।’ বর্তমানে এর ছাত্রসংখ্যা মোটে একশর মতো।
প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর উনার খাতিরের পরিধি আরও বেড়েছে। এবার নতুন উপজেলা সদরে বানিয়েছেন ‘মোকামতলা মীর শাহে আলম-ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয়’। আর সেটির অধ্যক্ষ বানিয়েছেন নিজের ব্যক্তিগত সহকারী আতিকুর রহমানকে। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে প্রতিষ্ঠান গড়ার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য পাওয়া যাবে কি না–এই প্রশ্নে পিএস ও অধ্যক্ষ আতিকুর রহমান বলেন, ‘ইউনিয়নের নামের বিষয়ে তিনি তো সংসদেই কথা বলেছেন। সেটাই লিখেন। আর তিনি একাধিক প্রতিষ্ঠান করেছেন। আর নিজের নামে তো তিনি প্রতিষ্ঠান গড়তেই পারেন।’
শুধু স্কুল-কলেজ নয়, ব্যবসায়ও নামের ফ্যামিলি প্যাকেজ এনেছেন প্রতিমন্ত্রী। দুই ছেলের নামে বানিয়েছেন ‘মীর সীমান্ত-দিগন্ত ফিলিং স্টেশন’ আর স্ত্রী-কন্যার নামে ‘মীর লাবণী-নুসাত ফিলিং স্টেশন’।
ইউপি নামকরণে ‘তত্ত্বীয়’ ব্যাখ্যা
সবচেয়ে বড় কৌতুক জমেছে শিবগঞ্জ উপজেলা ভেঙে সম্প্রতি গঠিত হওয়া নতুন ইউনিয়নগুলোর নাম নিয়ে। প্রতিমন্ত্রীর পারিবারিক বাড়ি ‘মীরবাড়ী’ নামে পরিচিত, আর কাকতালীয়ভাবে একটি নতুন ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে ‘মীরবাড়ী’। বাকি তিনটি ইউনিয়নের নাম ‘সীমান্ত’, ‘দিগন্ত’ ও ‘স্বর্ণগ্রাম’। উনার দুই পুত্রের নাম যথাক্রমে মীর সীমান্ত ও মীর দিগন্ত।
এই অলৌকিক মিল নিয়ে সংসদে যখন শোরগোল উঠল, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তখন সংসদে দাঁড়িয়ে এক ভৌগোলিক তত্ত্ব হাজির করলেন। তিনি দাবি করলেন, ইউনিয়নটি উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় নাম রাখা হয়েছে ‘সীমান্ত’ আর দূরবর্তী হওয়ায় ‘দিগন্ত’। সন্তানদের নামের সঙ্গে এই নামকরণের কোনো সম্পর্ক নেই।
তার অকাট্য যুক্তি— ‘আমাদের সন্তানের নাম হচ্ছে মীর সীমান্ত, মীর দিগন্ত। আমার যদি ইনটেনশন থাকত, তাহলে জেলা প্রশাসককে বলতাম ‘নাম রাখেন মীর সীমান্ত, না হলে মীর দিগন্ত’। কিন্তু নামের আগে তো মীর নেই!’
অবশ্য নামগুলো কীভাবে অনুমোদন পেল, তা জানতে গিয়ে জানা গেল আমলাতান্ত্রিক ‘জাদু’। নামকরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব (ইউনিয়ন শাখা) জিয়াউর রহমান টাইমস-কে জানান, ‘প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেলা প্রশাসক বরাবর প্রস্তাব দেবে। তারপর গণশুনানি, জনসংখ্যা, রাজস্ব সব কিছুর উপর নির্ভর করে একটা ইউনিয়ন পরিষদ অনুমোদন পাবে।’
অথচ প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটার পাওয়ার পরই দুই উপজেলার প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করে চারটি নতুন ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শিবগঞ্জের ইউএনও জিয়াউর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা কমিটি করে দিয়েছিলাম। বিভিন্ন জায়গায় গণশুনানি করে যে নামটি সংখ্যাগরিষ্ঠ পেয়েছি, সেটাই সুপারিশ করেছি।’
তবে আসল গোমর ফাঁস করলেন বগুড়ার ডিসি মো. তৌফিকুর রহমান। ইউনিয়নগুলোর জন্য একটি করেই নাম জমা পড়েছিল কি না—এই প্রশ্নে ডিসি মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘উপজেলায় কী হয়েছে বলতে পারব না, তবে আমার এখানে একটি নামই জমা পড়েছে।’ অর্থাৎ, প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তালিকার বাইরে কোনো ‘দ্বিতীয় বিকল্প’ ছিলই না।
ক্ষমতা ও প্রভাবের অলিখিত ‘মহাসচিব’
মীর শাহে আলমের রাজনৈতিক উত্থানও বেশ চমকপ্রদ। ২৭ বছর বয়সে ১৯৯৭ সালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, সে সময় ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার শুরু।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় বিএনপির সমর্থনে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন তিনি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বগুড়া, গাজীপুর এবং ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বেশ কিছু মামলার আসামি হলেও গণঅভ্যুত্থানের পর সব মামলা থেকে দ্রুত অব্যাহতি পান। তবে চেক প্রত্যাখ্যানের অন্তত চারটি মামলা জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে চলমান ছিল। তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে নির্বাসনে থাকার সময় মীর শাহে আলম সে দেশে গিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার দেখাও করেছেন।
বর্তমানে তিনি সরকারের এতটাই প্রভাবশালী যে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এক অনুষ্ঠানে মীর শাহে আলমকে ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী’ বলে সম্বোধন করেন। মন্ত্রণালয়ের ভেতরের খবর দিতে গিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম স্যার নামে মাত্র। সব কাজ করেন শাহ আলম স্যার। কে কোথায় বসবেন, কখন কার পদোন্নতি হবে তাও নির্ধারণ করেন তিনি। এখানে উনার বাইরে কিছু হচ্ছে না।’
স্থানীয় সরকার বিভাগের আরেক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালকদের ওপরও প্রতিমন্ত্রীর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। সম্প্রতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে বিএনপির একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা টাইমস’কে বলেন, মন্ত্রণালয় পরিচালনার দ্বন্দ্ব থেকে হতাশ হয়েই এ কথা বলেছেন তাদের মহাসচিব।
বড় ছেলের ‘আলাদিনের চেরাগ’
বাবার প্রভাব থাকলে ছেলেদের কপাল যে রাতারাতি খুলে যায়, তার প্রমাণ প্রতিমন্ত্রীর বড় ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। লন্ডন থেকে পড়াশোনা শেষ করে মাত্র এক বছর আগে দেশে ফিরেছেন। ফিরেই তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। এখানেই শেষ নয়, গত ৮ জুন সীমান্তকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক করা হয়, যদিও পরদিনই তিনি পদত্যাগ করেন। এরপর হয়েছেন বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
নির্বাচনের সময় জমা দেওয়া হলফনামায় প্রতিমন্ত্রীর রোমা অটো রাইস মিল ও রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস নামে দুটি প্রতিষ্ঠান থাকার কথা থাকলেও আটা-ময়দার মিল থাকার কোনো ঘোষণা ছিল না। অথচ গত ২২ এপ্রিল বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের পর সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্তকে ‘রূপসী ফ্লাওয়ার মিলের তরুণ উদ্যোক্তা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
শুধু তা-ই নয়, বাপের মন্ত্রণালয়ের অধীনেই লাইসেন্স বাগিয়ে ঠিকাদারি শুরু করেছেন এবং শিবগঞ্জ পৌরসভার গরিবপুর মসজিদ থেকে গণেশপুর পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণের কাজও পেয়েছে তার প্রতিষ্ঠান। গত ২৬ এপ্রিল প্রতিমন্ত্রী নিজে সেই কাজ উদ্বোধন করেছেন বলে একটি নামফলকে দেখা যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রীর পিএস আতিকুর রহমান দাবি করেন, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি নাকি প্রতিমন্ত্রীর দুর্নাম করার জন্য ফটোশপ করে বানানো হয়েছে। আরেক প্রশ্নে পিএস আতিকুর রহমান বলেন, ‘ওনার (সীমান্ত) নামে ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে কিনা বলতে পারব না। তবে তিনি ব্যবসায়ী।’
এই ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান টাইমস’কে বলেন, ‘এটি শুধু অশোভনীয় নয়, বরং স্বার্থের সংঘাতপুষ্ট পরিবারতান্ত্রিক ও ক্ষমতার অপব্যবহার-নির্ভর ঠিকাদারি, এবং উন্নয়নের নামে জনপ্রতিনিধিত্বের অবস্থানে থেকে জনগণের অর্থে ব্যাক্তিগত, দলীয় ও পারিবারিক সুবিধা অর্জনের প্রকাশ্য মহড়া, যা জনপ্রতিনিধি হিসেবে গৃহীত শপথের লংঘন।’
উল্লেখ্য, প্রতিমন্ত্রীর ছোট ছেলে মীর সাকলাইন আলম দিগন্তও বর্তমানে লন্ডনে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
‘সবকিছু ঠিক আছে’ থিওরি
প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের আরেকটি বিশেষ গুণ হলো—তিনি যা দেখেন না বা স্বীকার করেন না, তা পৃথিবীতে ঘটেইনি। এপ্রিলের শেষে যখন অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহর পানিতে ভাসছিল, তখন ২৮ এপ্রিল সংসদে ‘পয়েন্ট অব অর্ডারে’ বিএনপির সাঈদ আল নোমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
কিন্তু এর দুই দিন পর, ৩০ এপ্রিল প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘বিষয়টি (জলাবদ্ধতা) সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও কাল্পনিক। ২০২৪ সালের ছবি প্রচার করে একটি অপপ্রচার চালানো হয়েছে। আমাদের একজন সংসদ সদস্য বা খবরের ওপর ভিত্তি করে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) দুঃখ প্রকাশ করে ফেলেছেন।’
শুধু তা-ই নয়, সেদিনই চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান নুরুল করিমকে রীতিমতো তিরস্কার করেন শাহে আলম। চট্টগ্রামে এক বৈঠকে সিডিএ প্রধানকে উদ্দেশ করে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি প্ল্যানিং করে ষড়যন্ত্র করছেন। আপনি সরকারের বিরুদ্ধের লোক।’ জলাবদ্ধতা নেই—এমন বক্তব্য সিডিএ চেয়ারম্যান না দেওয়াতেই মূলত ক্ষেপে যান প্রতিমন্ত্রী।
একই ঘটনা ঘটেছিল ঢাকার উত্তরায় মেট্রো স্টেশনে কোরবানির গরুর হাট বসানো নিয়ে। চারদিকে যখন তীব্র তোলপাড়, তখন ২৭ এপ্রিল প্রতিমন্ত্রী সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে ঘোষণা দিলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। তিন দিন আগের একটি ভিডিও ভাইরাল করে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এখন পশু কেনাবেচা নির্ধারিত হাটের ভেতরেই চলছে।’ অর্থাৎ, সেখানে কোনো গরুর হাটই বসেনি!
বাস্তবতা যাই হোক না কেন, প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের চোখে চারপাশটা একদম নিখুঁত, সুন্দর এবং উনার পরিবারের নামের মতোই সুশোভিত। এসব বিষয়ে উনার ও উনার সুযোগ্য পুত্র মীর শাকরুল আলম সীমান্তের বক্তব্য জানার জন্য বারবার ফোন করা হলেও উনারা কেউ ফোন ধরেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে পরিচয় দিয়ে মেসেজ পাঠালেও কোনো সাড়া মেলেনি।