Image description

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে উদ্বোধনের দিনই আইসিইউতে থাকা ১০টি ভেন্টিলেটরের মধ্যে ৯টিই অকেজো থাকার তথ্য সামনে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।

 

রোববার (১৪ জুন) সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে দেশের ১০টি জেলার ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউর উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। পরে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডা. কে এম বাবর ফিতা কেটে আইসিইউর স্থানীয় কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. কে এম বাবর বলেন, ২০২০ সালে কোভিডকালীন মহামারির সময় ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু উদ্বোধনের সময় দেখা গেছে, ১০টি ভেন্টিলেটরের মধ্যে মাত্র একটি সচল রয়েছে, বাকি ৯টিই নষ্ট অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে জেলার মানুষ দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ সেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন।

 

তিনি আরও বলেন, ওই সময় দেশে বিগত সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং গোপালগঞ্জের এই আসনের প্রতিনিধি ছিলেন একজন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সব ধরনের যন্ত্রপাতি স্থাপনের পরও কেন ছয় বছর ধরে আইসিইউটি কার্যকর করা যায়নি এবং কেন অধিকাংশ যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়ে আছে, সেই বিষয়টি গোপালগঞ্জবাসীর জানা উচিত।

ডা. কে এম বাবর জানান, বর্তমান সরকারের বয়স এখনও সাড়ে তিন মাস পূর্ণ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের ১০টি জেলায় ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ চালু করা হয়েছে, যার একটি গোপালগঞ্জে। তিনি বলেন, ভেন্টিলেটরসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও জনবলের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করে ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউটি পূর্ণাঙ্গভাবে রোগীদের সেবায় চালুর জন্য তিনি সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেবেন।

 

অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক) ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।