Image description

জনকল্যাণমূলক ১১টি প্রতিষ্ঠানে দানের টাকায় কোনো কর না বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত ৮ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এএসএইচআইসি, ফাউন্ডেশন ফর চাইল্ডহুড ক্যানসার; বাংলাদেশ ক্যানসার এইড ট্রাস্ট; আল-মারকাজুল ইসলামী; ডিজেবলড চাইল্ড ফাইন্ডেশন; শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতি; মাওনা ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন; বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি; অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাইন্ডেশন; ব্র্যাক; রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকা; চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল।

আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রজ্ঞাপনটি কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ‘আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন)-এর ধারা ৭৬ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার, ওই আইনের ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ৩ এর অনুচ্ছেদ ২-এর দফা (১৩) এর বিধানের আওতায় জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য করা হয় এবং ওই প্রতিষ্ঠানসমূহের অনুকূলে কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা কর্তৃক প্রদত্ত দান বা অনুদানকে উক্ত করদাতার অনুকূলে উক্ত আইনের অধীন প্রদেয় আয়কর হতে রেয়াত প্রদান করল।’

যেভাবে মিলবে করছাড়

কোনো ব্যক্তি করদাতা এসব প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলে সেই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অবশ্যই রশিদ বা দান গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রমাণপত্র সংগ্রহ করতে হবে। বার্ষিক আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় ওই দানের তথ্য উল্লেখ করতে হবে এবং সঙ্গে দান করার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

যদি কোনো ব্যক্তি ১ লাখ টাকা করেন তাহলে পুরো ১ লাখ টাকাই আয়কর থেকে সরাসরি ছাড় পাওয়া যাবে না। দানের ওই ১ লাখ টাকা আয় থেকে কমিয়ে বাকি টাকার ওপর করের হিসাব করা হবে। ধরা যাক, ওই ব্যক্তির বার্ষিক করযোগ্য আয় ১০ লাখ টাকা এবং করের হার ১০%। ১ লাখ টাকা দান করার পর করযোগ্য আয় হবে ৯ লাখ টাকা (১০ লাখ-১ লাখ)। এখন ৯ লাখ টাকার ওপর ১০% হারে কর দিতে হবে।