Image description

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতকে আরও গতিশীল করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসেছে বড় ধরনের ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব। বিশেষ করে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান, ফ্রিল্যান্সার এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এই কর রেয়াতের সুপারিশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন তিনি।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, স্থানীয় পর্যায়ে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সেবা আমদানি এবং অফিস বা স্থাপনা ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ১৫ শতাংশ ভ্যাটও সম্পূর্ণ মওকুফের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। স্টার্টআপ খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধির কথা বিবেচনা করে এই ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে আগামী ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

অন্যদিকে, তরুণ প্রজন্মের ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ের পথ সুগম করতে এবং এই খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে বড় ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে সরকারের পক্ষ থেকে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের দেওয়া সেবার ওপর বর্তমানে যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে, তা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে তরুণরা ফ্রিল্যান্সিং ও স্টার্টআপ ব্যবসায় উৎসাহিত হবে আরও বেশি। এই পদক্ষেপ সামগ্রিকভাবে আরও মজবুত করবে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত।