Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মূল ভিত্তিটা রয়েছে ৯ দফার মধ্যেই। ৯ দফাটা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, সে যদি এগুলো মেনে নেয়, তার মানে তার পাওয়ার স্ট্রাকচারও থাকবে না, তার দলটাও ভেঙে যাবে। কারণ, এটা মেনে নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না।

 

সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের আলাপন অনুষ্ঠানে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সাদিক কায়েম বলেন, প্রথম দফায় বলা আছে, ছাত্র হত্যার দায় নিতে হবে এবং তা স্বীকার করে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা চাওয়া মানে এক প্রকার তার পদত্যাগ করাই। এরপর ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী—সবাইকে পদত্যাগ করতে হবে। ইউনিভার্সিটির ভিসিদেরও পদত্যাগ করতে হবে।

 

তিনি বলেন, ৯ দফা প্রণয়ন করা এবং তা মিডিয়ায় পৌঁছে দেওয়াটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ওই সময়ে এই নয় দফা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে আন্দোলন যে চলমান আছে, তা যখন আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি, তখনই আন্দোলন এস্টাবলিশ (সংগঠিত/প্রতিষ্ঠিত) হয়ে যায়। এই ৯ দফাকে প্রথমে মিডিয়াগুলো ছাপায়নি এবং ৯ দফাকে এমনভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছিল যে, তারা ৯ দফা বাদ দিয়ে এটাকে আট দফা বানিয়েছিল। প্রথম দফায় ছিল—ছাত্র হত্যার দায় নিয়ে খুনি হাসিনাকে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে; এই প্রথম দফাটাই তারা বাদ দিয়ে দিয়েছিল। আট দফা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে হাসিনার কিছু হবে না। কিন্তু আমরা বলেছিলাম, ৯ দফাই হচ্ছে ছাত্র-জনতার মুক্তির দফা এবং এই ৯ দফা এস্টাবলিশ করার জন্যই আমরা তখন তা সকল মিডিয়ায় পৌঁছে দিয়েছিলাম।