Image description

চলমান তাপপ্রবাহে রাজধানীতে বেড়েছে চার্জার ফ্যানের চাহিদা। অসহনীয় গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস মার্কেট ও ফুটপাতের দোকানে।

বিশেষ করে স্টেডিয়াম মার্কেট, সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেট ও হল মার্কেটে চার্জার ফ্যান কিনতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর গুলিস্তান, স্টেডিয়াম মার্কেট, নিউমার্কেট ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চার্জার ফ্যানের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

 

বিক্রেতাদের ভাষ্য, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমানে বিক্রি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের কারণে চার্জার ফ্যানের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে।

 

বাজারে বিভিন্ন আকার ও মডেলের চার্জার ফ্যান পাওয়া যাচ্ছে। মান, ব্যাটারির সক্ষমতা ও ফিচারভেদে এসব ফ্যানের দাম এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে।

এছাড়া বিভিন্ন ধরনের স্ট্যান্ড ফ্যান পাঁচ হাজার থেকে নয় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই বাসা, অফিস ও দোকানে ব্যবহারের জন্য একাধিক ফ্যান কিনছেন।

 

কেরানীগঞ্জ থেকে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে রাতে অনেক সময় বিদ্যুৎ থাকে না। তাই চার্জার ফ্যান কিনতে এসেছি। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে বাচ্চারা ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। সে কারণেই ফ্যান কিনছি। তবে গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্যানের দামও কিছুটা বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে।’

স্টেডিয়াম মার্কেটে আসা আরও কয়েকজন ক্রেতা জানান, প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকলে চার্জার ফ্যানই ভরসা। তাই প্রয়োজনের তাগিদেই তারা এসব ফ্যান কিনছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের স্বস্তির কথা বিবেচনা করে অনেক পরিবার চার্জার ফ্যান সংগ্রহ করছে।

চার্জার ফ্যান

স্টেডিয়াম মার্কেটের ব্যবসায়ী তানিম বাংলানিউজকে বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরমের কারণে চার্জার ফ্যানের চাহিদা অনেক বেড়েছে। ক্রেতারা চার্জার ফ্যানের পাশাপাশি স্ট্যান্ড ফ্যানও কিনছেন। স্ট্যান্ড ফ্যান পাঁচ হাজার থেকে নয় হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কিছু আমদানিকৃত ব্র্যান্ডের ফ্যানের দাম তুলনামূলক বেশি, সেগুলো নয় হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।’

 

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকায় গরমের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে চার্জার ফ্যানের চাহিদা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।