Image description

অনলাইন একটিভিস্ট সাদিকুর রহমান খান বলেছেন, চুপ্পুই যদি রাষ্ট্রপতি থাকে, চুপ্পুর ছেলের থ্রেটই যদি খাওয়া লাগে, তাইলে আওয়ামী লীগ আর হাসিনা কী দোষ করেছে।

 

সোমবার রাতে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘একদিকে আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিন দিবেন,

আরেকদিকে আনিস আলমগীরের মত হাসিনার ঘেটুপুত্রদের ফোন দিবেন, মাথায় তুলবেন,

আর ছাত্রলীগ বিশাল মিছিল বের করলে অবাক হবেন, তাতো হবে না।

আওয়ামী লীগকে তাড়াইছিল এই দেশের মানুষ৷ সাধারণ মানুষ।

মরেওছিল সাধারণ মানুষ।

অথচ আওয়ামী লীগকে কোলে তুলে নিতে সবাই যখন প্রতিযোগিতা করছেন, তখন আওয়ামী লীগ বরং আসুক।

চুপ্পুই যদি রাষ্ট্রপতি থাকে, চুপ্পুর ছেলের থ্রেটই যদি খাওয়া লাগে, তাইলে আওয়ামী লীগ আর হাসিনা কী দোষ করেছে?

২৪ এর জুলাইতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আপনাদের একটা সুযোগ দিয়েছিল।

১৭ বছর পর।

আপনারা সেই সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগকে কোলে তুলেছেন।

রক্ত দিয়েছে মানুষ। ক্ষমতা পাইছেন আপনারা।

এন্ড ক্ষমতা পাওয়ার সাথে সাথে সেই রক্তের সাথে বেঈমানি করেছেন।

আওয়ামী লীগের দালালদেরকেই আবার কাছে টেনেছেন, জুলাইয়ের বিপ্লবীদের ছোট করেছেন, ইভেন শহীদ ওসমান হাদীকে নিয়ে নোংরামি করতেও আপনাদের অন্তর কাঁপে নাই।

এই মিছিল তো মাত্র শুরু।

লীগের সফট পাওয়ার ইন্ট্যাক্ট ছিলোই।

জাস্ট হার্ড পাওয়ার রাস্তায় আসার সাথে সাথে এমন এক রিয়েলিটি তৈরি করবে মিডিয়া আর বন্ধুদেশ মিলে,

না পারবেন মানতে, না পারবেন কানতে।

মণির লোভে সাপকে কোলে তুইলা তুলুতুলু করার পরিনতি কী হয়, সেইটা তো বুঝতেই হবে।

আমাদের ভয় দেখাইয়া লাভ নাই৷ আমরা সাধারণ মানুষ, এমনেও মরব, অমনেও মরব।

মার খাওয়া আর মরাই আমাদের নিয়তি, আমরা এটা মেনেও নিসি। আমাদের হিসাব নিকাশ এমনই আছে। এমনই ছিল।

কিন্তু আপনারা যারা ১৭ বছর ভুইলা তিন মাসের ক্ষমতার বৈরাগী হইয়া রক্তের সাথে বেঈমানি করলেন,

আপনাদের পরিনতি দেখতে খুব মন চায়।

কিছু বললেই ১৭ বছরের ইতিহাস দেখান, আরে, ১৭ বছর কোন গর্তে ছিলেন, আমরা জানি তো।

আমরা সাধারণ মানুষ। বায়োস্কোপ দেখাই আমাদের কাজ।

১৭ বছরের বায়োস্কোপ খুব সম্ভবত দ্রুতই আমরা আবার দেখতে পাব।

আগে ভয় লাগত।

এখন আর লাগে না।

বরং আল্লাহকে সবসময় একটা কথাই বলি, এত এত মানুষের রক্তের সাথে বেঈমানি যারা করলো, তাদের পরিণতিও যেন দেখার মত হয়।

দেখার মত হবে বলেই আমার ধারণা।

২ হাজার শহীদের রক্তের আমানত আল্লাহ এই দেশের রাজনীতিবিদদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

 

 

 

সকল দলের রাজনীতিবিদই মিলেমিশে সেই রক্ত বিক্রি করেছেন সস্তা দামে।

আমরা শহীদদের প্রতি ইনসাফ করতে ব্যর্থ হয়েছি। ছোট্ট আনাস বা রিয়া গোপের খুনিদের সাথে হাত মিলিয়েছি।

এবার তবে আল্লাহর বিচারই আসুক।

আমাদের কাজ একটাই, আমাদের কৃতকর্মের পরিণতির জন্য অপেক্ষা করা।

বিশ্বাসঘাতকদের একমাত্র স্থান নরকের সর্বনিম্ন স্তরে।

২০০০ শহীদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা আমরা যেন সেই নরকের জন্য প্রস্তুত থাকি।’