Image description

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, জঙ্গল সলিমপুর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হলেও তথ্য ফাঁসের কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। সন্ত্রাসীরা সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাহারা বসিয়ে আধিপত্য বিস্তার করেছিল৷ তবে আমরা সেগুলো ভেঙে দিয়েছি। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করার মতে দু:সাহস রাস্তা কেটে ফেলা, ফাঁড়িতে হামলার মতো ঘটনার সাথে কারা জড়িত এবং কারা জঙ্গল সলিমপুরের জমি দখলের সাথে জড়িত আমরা তাদেরকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।

 

রোববার দুপুর ১১টায় সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে রাষ্ট্রে যেই দুর্বৃত্তায়ন চলেছিল সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর তারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সীতাকুণ্ড, হাটহাজারী এবং চট্টগ্রাম শহরসহ কিভাবে জঙ্গল সলিমপুরের সাথে রোড় নেটওয়ার্ক স্থাপন করা যায় আমরা সে বিষয়ে কাজ করছি। র্যাব, বিজিবি, পুলিশ এবং সেনানিবাস কিভাবে স্থাপন করা যায় আমরা সেটি পরিকল্পনা করছি। এখানে যারা কোন না কোনভাবে অস্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তুলতে বাধ্য হয়েছে তাদেরকে কিভাবে পুনর্বাসন করা যায় সেটি পরিকল্পনা করব৷ তাদেরকে এখান থেকে আপাতত উচ্ছেদ করা হবে না। কেউ যদি তাদেরকে নানা ভয়-ভীতি দেখিয়ে উচ্ছেদ করতে চায় তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জনগণের সরকার, জনগণকে কমপোর্ট দেওয়ার জন্য আমরা আসছি। এখানে সরকারি খাস জমিতে বায়েজিদের পাশে কারাগার ভবন গড়ে তোলার অনুমোদন অনেক আগেই দেয়া হয়েছে, সেটি কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায় আমরা ভাবছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ আলী ফকির, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়া উদ্দিন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ আলী, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, র্যাব-৭'র সিইও মো. হাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।