রাঙ্গামাটি জেলা গণঅধিকার পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিচ্ছেন এনসিপি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। আজ শুক্রবার (১৫ মে) রাঙ্গামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এই যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিতে যাওয়া উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— এনসিপির জেলা আহ্বায়ক বিপিন যথী চাকমা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব আন্দোলনের সভাপতি পলাশ চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক চীরজিৎ চাকমা, দপ্তর সম্পাদক সাগর চাকমা ও প্রচার সম্পাদক অভিলাস চাকমা। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত এসআই জলমনি চাকমা এবং এলডিপি নেতা কামালসহ আরও অনেকেই দলটিতে যোগ দিচ্ছেন।
সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতি সবার জন্য উন্মুক্ত। এমনকি আওয়ামী লীগের নিরপরাধ নেতাকর্মীরাও এখানে যোগ দিতে পারবেন, তবে অপরাধীদের কোনো জায়গা হবে না। আমরা পাহাড় ও সমতলের সবার অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছি।’
তিনি আরও বলেন, গণঅধিকার পরিষদ রাজপথ থেকে উঠে আসা দল এবং জনগণের অধিকার বাস্তবায়নই এর মূল লক্ষ্য। সরকার যাতে ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’ নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে, সেই দাবিও জানান তিনি।
উচ্চতর পরিষদের সদস্য সাকিব হোসাইন তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা ২০২৩ সাল থেকে বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলন করেছি এবং নির্বাচনের বিষয়েও একটি সমঝোতা ছিল। জনগণের অধিকার আদায়ে আমাদের এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।’
এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন বলেন, গণঅধিকার পরিষদ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।
রাঙ্গামাটি জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক আহ্বায়ক আবুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— জেলা সদস্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান রোমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রুদ্র মুহম্মদ জিয়াদ, রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি ইমাম হোসাইন ইমু, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আউয়াল এবং জয় বড়ুয়া প্রমুখ।