Image description

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্মিত কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লার আধুনিক শিশু হাসপাতালগুলো বছরের পর বছর ব্যবহারহীন অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেন।

এ নিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আগামী ২ জুন ২০২৬-এর মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিষয়েও আলোচনা হয়। বর্তমানে আংশিক চালু থাকা ৫০০ শয্যার এই হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালের কার্যক্রম দ্রুত চালুর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

স্বাস্থ্যখাতের বড় প্রকল্প হিসেবে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, উত্তরাঞ্চলে উন্নত চিকিৎসাসেবার ঘাটতি রয়েছে। নীলফামারীর হাসপাতালটি চালু হলে এটি আঞ্চলিক রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রকল্প সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

শীর্ষনিউজ