Image description

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘আগামী এক সপ্তাহে হামের টিকার আওতায় চলে আসবে শতভাগ শিশু। এরইমধ্যে অনেক জায়গায় শতভাগ হয়ে গেছে। হামের টিকা কার্যক্রম শুরু করা প্রথম ৩০টি উপজেলায় এখন একটাও হামের রোগী নাই।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দেওয়া যক্ষা পরীক্ষার কিট (জিনএক্সপার্ট কার্টিজ) এবং শিশুদের জন্য যক্ষা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

হাম ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকারের যথেষ্ট সক্ষমতা আছে বলে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘গত ছয়টা বছর হাম প্রতিরোধে কোনো ভ্যাক্সিনেশন হয় নাই শিশুদের। আমরা জরুরি ভিত্তিতে তা শুরু করি। ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আমেরিকা যৌথভাবে যদি হেল্প না করত, তাহলে দেশের এই মানচিত্র আজ অন্যরকম হতে পারত। আরও অনেক বেশি ক্ষতি হতো।’

‘আগামী মাসের পাঁচ তারিখে সারা দেশে ভ্যাকসিন দেয়ার কথা ছিল। সেটা ১৪ দিন এগিয়ে এনেছি। আমরা যখন হামের টিকা হাতে পেয়েছি, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর অপেক্ষা করিনি। আমরা ২০ এপ্রিল থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছি,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেছেন, ‘৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। ভ্যাক্সিন ও সিরিঞ্জের কোনো সংকট নেই দেশে। আগামীকাল পৌঁছে যাবে দেশের সব কেন্দ্রে।’

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য খাতের সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং সুশাসন জোরদারে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতে যক্ষ্মা শনাক্তকরণ আরো দ্রুত ও কার্যকর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ডিজিটাল এক্স-রে প্রবর্তন, নতুন প্রজন্মের জিন সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার ও শিশু-বান্ধব ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।’