শুধু নাস্তিক না , আবার শুধু বামপন্থীরা না।
নাস্তিক + বামপন্থী যারা তাদের কথা বলছি।
এরা এতটাই গুপ্ত যে , এদের অনেকে ২৪ ঘন্টা পায়জামা পাঞ্জাবি পরে থাকে, কেউ কেউ শেষ বয়েসে এসে হজ্জ্ব করে, এদের অনেকের ছেলে-মেয়ে, নাতি - পুতি, বৌমা - জামাই, শালা-শালী প্রচার করে এদের আসলে ধর্মে বিশ্বাস ছিল বা এখনো আছে।
নাস্তিক বামপন্থীরা এক সময় রাশিয়া-বাম এবং চায়না-বাম এই দুই ধারায় বিভক্ত ছিল।
সোভিয়েত রাশিয়ার পতনের পরে এবং চায়না যখন জাস্ট নামকা ওয়াস্তে কমিউনিস্ট হয়ে গেলো, তারপর এই নাস্তিক বামেরা নানা দল ও ধান্দায় নেমে যায় নাস্তিকতা কিংবা বামপন্থা উভয়ের সরাসরি প্রচার বাদ দিয়ে।
এদের অনেকে ঢুকে পরে প্রধান দুই দলে, কেউ ঢুকে প্রধান দুই দলের পরে যে তিন এবং চার নম্বর দল আছে ওই গুলিতে ---জাস্ট ক্ষমতার কাছাকাছি।
এদের একটা চতুর অংশ রাজনীতিতে সরাসরি না ঢুকে , সুশীল সমাজ , চলচিত্র নির্মাতা , এড - ফার্ম , পত্রিকার সম্পাদক , এনজিও ব্যবসা এবং সকল ব্যবসার উপরের ব্যবসা --- বাপের বাপ্ খাপে খাপ ব্যবসা --- চেতনার ব্যবসায় নিয়জিত হয়।
এরা জাতির অনেক ক্রান্তি লগ্নে উপরে-উপরে বিবাদমান দুই-দলেও থেকেছে, কিন্তু তলে তলে এই নাস্তিক-বামপন্থীরা সব সময় একটা গুপ্ত - সোসাইটি এবং গুপ্ত লিয়াজো মেইন্টেন করেছে। নিজেদের ছেলে মেয়ে , চেলা চামুন্ডাদের একে অপরের প্লাটফর্মে প্রটেকশন দিয়েছে।
বাংলাদেশের অনেক ইতিহাসের সব চাইতে আত্মঘাতী এবং বিপদজনক মুহূর্ত গুলোর জন্ম দিয়েছে এই নাস্তিক-বাম গুপ্তচক্র।
আবারো বলছি , এরা সব দলের ভেতরে থেকেছে সব সময় ---- সব মানে সব দল।
আবারো ক্লিয়ার করছি , সাধারণ-বামের কথাও এখানে বলা হচ্ছে না , বলা হচ্ছে নাস্তিক - বাম এর কথা --- এরা একটা সম্পূর্ণ আলাদা ব্রিড। সাধারণ বামদের বেশির ভাগই হচ্ছে তওবা-কাটা-বাম, মনের ভুলে বাম-পন্থায় ঢুকে, তাওবা কেটে বেরিয়ে যায় --- এরা মানুষ খারাপ না।
এই নাস্তিক-বাম গুপ্ত সোসাইটির মনের ভেতরে একটা আলাদা বেতার তরঙ্গের মতো আছে --- যেটা এরা নিজেরা নিজেরা শুনতে পারে , সামনা সামনি আসলে কানে বাজে, কনফিডেন্স পায় একে অপরকে পাশে দেখলে এবং পেলে।
কারও নাম উল্লেখ কিংবা সরাসরি উদাহরণ না দিয়ে বাংলাদেশের সব চাইতে পাওয়ারফুল গুপ্ত চক্রের পরিচয়টা জানিয়ে দিলাম।
আপনারা বাংলাদেশিরা যখন নিজেরা নিজেরা কাটা-কাটি মারামারি করবেন , সব সময় সচেতন থাকবেন এই গুপ্ত চক্রের গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছেন কিনা।