দেশে হাম শনাক্তকারী কিটের স্বল্পতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে সরকার তা দ্রুত দূর করতে ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আইউবীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদে এ তথ্য জানান।
সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আইউবী প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করে বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে একটি ক্রুশিয়াল কোশ্চেন— এই মুহূর্তেও আজকে চট্টগ্রামের একমাত্র সংক্রামক রোগের চিকিৎসা কেন্দ্র বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট, সেটিসহ অধিকাংশ হাম শনাক্তকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। যে কারণে এই হাম শনাক্ত করতে সকল ইনস্টিটিউটকে এবং চিকিৎসা কেন্দ্রকে ঢাকায় পাবলিক হেলথ কেন্দ্র ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড রুবেলা ল্যাবরেটরিতে পাঠাতে হচ্ছে। এই মুহূর্তে হাম চিহ্নিত করতে রোগীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এই ব্যবস্থা উত্তরণে দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা?
তার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, যে বিষয়টি জানতে চেয়েছেন— খুব দুঃখজনক ঘটনা। এই সংসদে আজকে আমরা যারা উপস্থিত আছি, আমরা সব রাজনৈতিক দল এবং এ সংসদের বাইরেও রাজনৈতিক দল আছে, যারা সবাই মিলে স্বৈরাচারকে এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হল সেই স্বৈরাচার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শিশুদের হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন এই সমস্যাটি দেখা দেয়, খুব দ্রুততার সঙ্গে ইউনিসেফ আমাদের অনেক হেল্প করেছে। দ্রুত তারা হামের ভ্যাক্সিনেশন পাঠিয়েছে। আমরা ওষুধগুলো পেয়েছি এবং প্রায় ২ কোটি শিশুকে এই হামের ভ্যাক্সিনেশন আমরা দিব।
তারেক রহমান বলেন, হাম শনাক্তকরণ কিটের স্বল্পতা রয়েছে, সঠিক। এ ব্যাপারেও সরকার কাজ করছে। এর মধ্যে অনেক কিট এসে পৌঁছেছে। কিছু কিট এই মুহূর্তে খুব সম্ভবত ঢাকার কাস্টমসে আছে। এয়ারপোর্টে আছে। সেগুলো আমরা দ্রুত ছাড় করার ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ করছি।
প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দুঃখজনক, অনেকগুলো শিশুর প্রাণ ঝরে গেছে। আমাদের মাঝে থেকে চলে গেছে। বাট সামনে আমরা চেষ্টা করছি, যাতে এই সিচুয়েশনটাকে ম্যানেজ করতে পারি। সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার।