Image description

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রতি মাসে কক্সবাজারে গিয়ে বস্তা ভরে ইয়াবা আনতেন বলে দাবি করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

 

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে খেলাফত মজলিস আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে মাদকের প্রকোপ কিছুটা কমেছিল বলে দাবি করে অলি আহমদ বলেন, বর্তমানে জনপ্রতিনিধিরাই ইয়াবা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। দ্রুত অর্থ উপার্জনের জন্য এর চেয়ে সহজ কোনো পথ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মাদকের বিস্তার কিছুটা কমেছিল। ইয়াবা ট্যাবলেট, যাকে আমাদের এলাকায় ‘বাবা’ বলা হয়—এটি তখনও ছিল। আপনারা নিশ্চয়ই মনে করতে পারবেন, ওবায়দুল কাদের মাসে এক-দুইবার করে কক্সবাজার যেতেন। তখন অনেকে ভাবতেন, তিনি খুব পরিশ্রমী মন্ত্রী। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি বারবার কক্সবাজারেই কেন যেতেন? রাজশাহী বা দিনাজপুরে কেন যেতেন না? তিনি সেখানে যেতেন বদির কাছ থেকে বস্তা ভরে ইয়াবা আনতে।

 

অলি আহমদ দাবি করেন, বর্তমানে আবারও সেই পরিস্থিতি ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করছে এবং এই আন্দোলন সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

 

খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আমিরে মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মূল বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে উক্ত বিষয়ের ওপর ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল।

 

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খেলাফত মজলিস নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মুফতি আবুল হাসান প্রমুখ।