Jubaer Ahmed (জুবায়ের আহমেদ)
আমেরিকায় তিনটি জাতীয় নির্বাচন (২০১৬,২০,২৪) কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার সুযোগ হয়েছিল। একজন data analyst হিসেবে state-by-state ভোটার আচরণ বোঝার চেষ্টা করতে গিয়ে একটি বিষয় খুব পরিষ্কার হয়েছে—আধুনিক রাজনীতি আর শুধু ideology-এর খেলা না; এটি data, narrative এবং disciplined execution-এর একটি সমন্বিত system। ২০১৬ সালে Donald Trump খুবই simple কিন্তু emotionally powerful একটি narrative—“Make America Great Again”—ব্যবহার করে পুরো রাজনৈতিক কাঠামোই পুনর্গঠন করেন। Immigration-এর মতো ইস্যুকে deliberate ভাবে amplify করে, pre-survey data দিয়ে নির্দিষ্ট voter segment identify ও target করা হয়, এবং এই focused কিন্তু unconventional approach দিয়েই বড় ধরনের vote conversion সম্ভব হয়। ২০২০ সালে Joe Biden এর জয় মূলত একটি crisis-driven realignment—Covid-19 pandemic পুরো election agenda redefine করে দেয়, যেখানে ভোটাররা leadership, predictability এবং stability খুঁজেছে। আবার ২০২৪ সালে Israel-Gaza conflict আবেগের জায়গায় অত্যন্ত শক্তিশালী ইস্যু হলেও ভোট নির্ধারণে decisive ভূমিকা রাখেনি; বরং economy, inflation, cost of living এবং immigration-ই ভোটের মূল driver হিসেবে কাজ করেছে। বাস্তবতা হলো, ভোটাররা public sphere-এ emotion প্রকাশ করে, কিন্তু ballot box-এ সিদ্ধান্ত নেয় economic self-interest বিবেচনায়। Trump আবারও সেই simple কিন্তু targeted message-এই ফিরে গেছে—economy এবং border ঠিক করার প্রতিশ্রুতি।
প্রায় এক দশকের অভিজ্ঞতায় শিখেছি, বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনী ব্যবস্থার রাজনীতি কতটা structured এবং গভীরভাবে research-driven। একজন গবেষক হিসেবে এই মডেলের কিছু অংশ আমি বাংলাদেশেও small scale-এ প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়েছি—প্রথমে DUCSU নির্বাচন, পরে জাতীয় নির্বাচনের কিছু প্রক্রিয়ায়। সীমিত পরিসরেও একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে প্রতিফলিত হয়েছে: যেখানে narrative, data এবং disciplined execution একসাথে কাজ করে, সেখানে outcome উল্লেখযোগ্যভাবে improve করে। এই অভিজ্ঞতা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ—কারণ এটি দেখিয়েছে, context ভিন্ন হলেও সঠিক strategy প্রয়োগ করা গেলে underlying model কার্যকর থাকে।
বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এসে ছবিটি ভিন্ন মাত্রা পায়। সরকারের performance নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও তারা narrative, media এবং organizational coherence ধরে রাখতে পেরেছে। অন্যদিকে বিরোধী পক্ষ এখনো largely ad hoc communication, coherent narrative-এর অভাব, এবং data-driven targeting-এর সীমাবদ্ধতায় ভুগছে। ফলে তারা election-পরবর্তী narrative space কার্যত হারিয়ে ফেলেছে। মূল সমস্যাটি কাঠামোগত—narrative ownership নেই, data-informed strategy নেই, এবং consistent execution অনুপস্থিত। এই তিনটি উপাদান ছাড়া কোনো রাজনৈতিক শক্তি দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে পারে না।
সামনের বাংলাদেশে রাজনীতি ক্রমেই রূপ নেবে media control, data intelligence এবং perception management-এর একটি জটিল প্রতিযোগিতায়। যে দল এই তিনটি মাত্রাকে সমন্বিতভাবে ব্যবহার করতে পারবে, সেই দলই প্রভাব বিস্তার করবে—performance যাই হোক না কেন। বিপরীতে, যে শক্তি research-driven, structured এবং intellectually grounded approach গড়ে তুলতে পারবে না, তারা ধীরে ধীরে তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি হারাবে।