Image description

শনিবার মধ্যরাত থেকে জ্বালানির বাড়তি দাম কার্যকর হলেও যশোরের পাম্পগুলোয় বেড়েছে যানবাহনের ভিড় আর গ্রাহকদের ভোগান্তি। পাশাপাশি গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ার শঙ্কায় আছেন সাধারণ যাত্রীরা।

আজ রবিবার সকাল থেকে যশোরের বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, মধ্যরাত থেকে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে রয়েছেন মোটরসাইকেল, বাস ও ট্রাকচালকরা। তাদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পাচ্ছেন না চাহিদা অনুযায়ী তেল।

নতুন মূল্যে দাম বেড়েছে প্রতি লিটার ডিজেলে ১৫ টাকা, কেরোসিনে ১৮, পেট্রলে ১৯ এবং অকটেনে ২০ টাকা। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত যশোরের অঞ্চলে গণপরিবহনে বহাল আছে আগের ভাড়া।

এদিকে বাড়তি ভাড়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ট্রাকচালক তবিবর মোড়ল। তিনি জানান, বাড়তি দাম দিয়ে তেল কিনলেও দীর্ঘ লাইনের অপেক্ষায় সময় নষ্ট হচ্ছে, বাড়তি ট্রিপ দিয়েও যাচ্ছে না টাকা ওঠানো।

যাত্রী শিমুল হোসেনের আশঙ্কা, পরিবহন ভাড়া বাড়লে উচ্চমূল্যের নিত্যপণ্যের বাজার আরও চড়বে, বাড়বে ভোগান্তি। টিকে থাকাই কঠিন হবে সাধারণ মানুষের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ তদারকি না হলে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করবেন পরিবহন মালিকরা।

যশোর বাসমালিক সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনিছুর রহমানও দিলেন সেই ইঙ্গিত। তিনি জানান, সরকার যেহেতু তেলের দাম বাড়িয়েছে, সরকারই নির্ধারণ করে দেবে নতুন ভাড়া। আর হবে শিগগিরই।