Image description

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। বেসরকারিভাবে জয়ের ফল পেয়ে মাহমুদুল হক বলেন, ‘এই আসনটি বিএনপির আসন হিসেবে পরিচিত। এ আসনে আমার বাবা এমপি ছিল, আমি এমপি ছিলাম। আমি চেষ্টা করি মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখার। খারাপ সময়েও মানুষের পাশে থেকেছি সবসময়। তাই মানুষ আমাকে ভালোবাসে, এজন্য আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন।’

 

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমি এখন আমার এলাকা তথা শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার উন্নয়নে কাজ করব ইনশাআল্লাহ্।

 

বেসরকারি ফলাফলে ১২৮টি কেন্দ্র এবং পোস্টাল ভোটে মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯১ ভোট। এ ছাড়া কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৪৮০ ভোট।

 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ।

জানা গেছে, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। আসনটিতে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্র ও ৭৫১টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ হয়। এই আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। সব মিলিয়ে ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৪টি। এর মধ্যে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ এবং বাতিল ভোট ২ হাজার ৮৬টি। আর পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করেছিলেন ৩ হাজার ৫৭৪ জন। এরমধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ১৯ জন।

 

জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু স্থানে জাল ভোটের ঘটনা ঘটলেও জড়িতদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ১৯ শতাংশ। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করায় শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ভোটারদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

 

জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।