মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে গত শুক্রবারের ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। ফলে আজ ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলতে পারেননি।
লাহোর কালান্দার্সের একাদশে তাই বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। তবে বল হাতে মুস্তাফিজ ছিলেন বিবর্ণ।
অবশ্য এত কম পুঁজি নিয়ে কী-ই বা করার ছিল মুস্তাফিজের? ব্যাটারদের ব্যর্থতায় লাহোর যে অলআউট হয়ে গেছে মাত্র ১০০ রানে! মামুলি লক্ষ্যটা ইসলামাবাদ ৫৮ বল আর ৯ উইকেট হাতে রেখে টপকে গেছে।
এবারের পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) এমনই অম্লমধুর কাটছে লাহোরে।
করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামার পর থেকেই ইসলামাবাদের বোলারদের সামনে ভুগেছে লাহোরের ব্যাটাররা। ইমাদ ওয়াসিম, রিচার্ড গ্লিসন, ক্রিস গ্রিন, শাদাব খানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে টপাটপ উইকেট হারাতে থাকে তারা।
৪১ রানের মধ্যে প্রথম ৪ ব্যাটারকে হারানোর পর পঞ্চম উইকেটে ৩১ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় কাটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা ও আসিফ আলী।
কিন্তু এই জুটি ভাঙতেই লাহোরের ইনিংসে মড়ক লাগে।
লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় ১১ রানে সামির মিনহাস আউট হলেও বাকি পথ পাড়ি দিতে ইসলামাবাদের কোনো সমস্যা হয়নি। ডেভন কনওয়ের অপরাজিত ফিফটি (৩৫ বলে ৫৯) ও মোহাম্মদ ফাইকের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে (১৯ বলে ৩৪) অনায়াস জয় পায় ইসলামাবাদ।
মুস্তাফিজ ইনিংসের সপ্তম ও নবম ওভারে বোলিং করেন। নিজের প্রথম ওভারে দেন ৭ রান, পরের ওভারে দেন ৯।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
লাহোর কালান্দার্স: ১৮.৩ ওভারে ১০০ অলআউট (রাজা ২৫, হাসিবউল্লাহ ১৯, আসিফ ১৫; গ্রিন ৩/১৯, ইমাদ ২/১৩, গ্লিসন ২/১৩, শাদাব ২/১৮, আশরাফ ১/২১)।
ইসলামাবাদ ইউনাইটেড: ১০.২ ওভারে ১০৪/১ (কনওয়ে ৫৯*, ফাইক ৩৪*, মিনহাস ৫; আফ্রিদি ১/২২)।
ফল: ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ৯ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ক্রিস গ্রিন (ইসলামাবাদ ইউনাইটেড)।