জুলাইয়ের ২৫ তারিখেও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, "এই আন্দোলনে বিএনপি কোনভাবেই জড়িত নয়।"
আজ তারাই নিজেদেরকে সেই আন্দোলনের বড় অংশীদার দাবি করছেন!
তাহলে আসল সত্য কোনটা?
আসল ঘটনা হচ্ছে, মহাসচিবের বক্তব্য ছিল তথাকথিত রাজনৈতিক বক্তব্য, অর্থাৎ বিএনপি প্রকাশ্যে না থাকলেও গুপ্তভাবে এই আন্দোলনে ছিল। জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় গুপ্ত বিএনপি। প্রকাশ্যে আন্দোলনে নামার সাহস তাদের ছিল না। আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা দুরের কথা, তারা স্বীকরাই করেনি যে তারা এই আন্দোলনে জড়িত। এরা আবার অন্যদেরকে গুপ্ত বলে খুব মজা পায়।
বিএনপি অবশ্যই এই আন্দোলনের বড় স্টেক হোল্ডার, কিন্তু তারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের নেতৃত্বে। সেই অর্থে, জনাব তারেক রহমানের নেতাও হাসনাত আবদুল্লাহ, হান্নান মাসুদ, আসিফ এবং নাহিদরা।
বিএনপির নেতৃত্বকে বাংলাদেশের মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে ১৫টি বছর। মানুষ জানতো এদেরকে বিশ্বাস করা উচিত নয়, এরা আন্দোলনের মাঠে জনগণকে রেখে পালিয়ে গিয়ে হাসিনার সাথে আঁতাত করবে, সেজন্য বিএনপির কোন আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা ছিল না কখনোই। বিএনপির সকল আন্দোলন ছিল ব্যর্থ। হরতাল ডেকে দলের নেতাকর্মীরাই মাঠে নামেনি, তারা আওয়ামী লীগের লুঙ্গির নীচে আশ্রয় নিতো।
সুতরাং, বিএনপির উচিত জুলাই আন্দোলনের সিপাহশালারদের সম্মান করা। তাঁরাই জনগণের নেতা এবং আন্দোলনের নেতা হিসেবে বিএনপিরও নেতা তাঁরাই।