Image description

চব্বিশের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে হত্যার অভিযোগসহ মোট তিনটি মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি মো. তৌফিক এনাম টিপুর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।  

এর আগে ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জাল-জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এম আমিন উদ্দিনসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আক্তারুজ্জামানের আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম ইব্রাহিম খলিল এ মামলাটি করেন। 

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস, অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন ফকির, আব্দুর নুর দুলাল, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী, ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব, ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম, মোতাহার হোসেন সাজু, সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোর্শেদ, অ্যাডভাকেট মনিরুজ্জামান, ওয়াকিলুর রহমান, আজাহারুল্লাহ ভুইয়া, ওয়াজিউল্লাহ, সৌমিত্র সর্দার, শুভ, কাজল রশিদ বিশ্বাস, ব্যারিস্টার ইমরান, আসাদুজ্জামান মনির, মিজান, জগলুল কবির, সাইফ, শাহনেওয়াজ, মুকিম, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, ডিবি রমনা (সুপ্রিম কোর্ট ইনচার্জ) মোহাম্মাদ মমিন, সাবেক ডিসি হারুন, শাহবাগ থানার এসআই গোলাপ উদ্দিন মাহমুদ, এসি রমনা বায়েজীদুর রহমান, রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল আল মাসুম, নিউমার্কেট জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ ফারুক, শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মাহফুজুল হক ভুইয়া ও গোলাম মোস্তফা, নায়েক মো. বাকী বিল্লাহ, কনসটেবল মো. মঈনুদ্দীন, কিবরিয়া ও রকিবুল ইসলাম। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে হঠাৎ সকাল ১০টায় ৪০-৫০ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির অজ্ঞাতনামা আইনজীবী, যুবলীগ ও ১০০ জন স্পেশাল পুলিশ সদস্যসহ এজাহারনামীয় কয়েকজন আসামির নির্দেশে বারের অডিটরিয়ামে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, মান-মর্যাদা বিনষ্ট করে। 

আসামিরা সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামের ভেতর থেকে আইনজীবীদের বের করে দিয়ে তথাকথিত নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে জাল ও ভুয়া ভোট, জাল ব্যালট তৈরি ও নিজেরা ব্যালটে জাল ভোট দেন। নির্বাচন প্রক্রিয়া নষ্ট করে স্বৈরাচার পন্থায় আসামিরা ১৪ জনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট বার আইনজীবী সমিতির দায়িত্বে বসান।  

 

এছাড়া পরবর্তীকালে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।