Image description

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৫৫তম বার্ষিকীতে ঢাকায় অবস্থিত বিদেশি মিশনগুলো আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পৃথক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, ফ্রান্স, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, নেপাল ও ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশন বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এই শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায়।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন তার বার্তায় বলেন, “স্বাধীনতা বার্ষিকীতে বাংলাদেশের সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন। মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।”

ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বার্তায় সংক্ষেপে জানানো হয়, “বাংলাদেশকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।”

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উদযাপনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজও প্রত্যক্ষ করেন। রাষ্ট্রদূত জানান, এই উপস্থিতি দিনের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যকার দৃঢ় সম্পর্কেরই প্রতিফলন।

জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাদেশের জনগণকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। এই উপলক্ষে আমরা আমাদের কৌশলগত অংশীদারত্বকে ভিত্তি করে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন উদযাপন করি।”

কানাডিয়ান হাইকমিশন তাদের বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলে, “একটি শক্তিশালী এবং স্থায়ী অংশীদারত্বের ভিত্তি স্থাপন করে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে কানাডা গর্বিত। আমরা আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উদযাপন করি এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমৃদ্ধ ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য ভাগ করা অগ্রাধিকারগুলোকে অগ্রসর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

সুইজারল্যান্ড দূতাবাস বাংলাদেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে জানায়, বিশেষ এই দিনে সুইজারল্যান্ড দূতাবাস বাংলাদেশের অব্যাহত অগ্রগতির জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে সুইজারল্যান্ড বিশেষ মূল্য দেয়। বার্তায় আরও বলা হয়, “একসঙ্গে আমরা আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে আদান-প্রদান আরও জোরদার করার অপেক্ষায় আছি।”

ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস তাদের বার্তায় মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেছে, “এই দিনে আসুন আমরা সেই সব মুক্তিযোদ্ধাদের অটল সাহস ও আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধা জানাই, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করেছিলেন। এই ঐতিহাসিক দিনটি যেন জাতির জন্য ঐক্য, সহনশীলতা এবং সমৃদ্ধির অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে।”

নেপাল দূতাবাস তাদের বার্তায় জানায়, “আমরা বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”