Image description

সপ্তাহের শুরুতে ইরানি তেল সংরক্ষণাগারে ইসরাইলি হামলার ঘটনায় তেল আবিবের মিত্র ওয়াশিংটনের অবস্থা ‘অনেকটা আকাশ থেকে পড়ার’ মতো হয়েছে। গতকাল রোববার এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু করার পর একে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দুই মিত্রের মধ্যে প্রথম বড় মতবিরোধ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ইরানি তেল স্থাপনায় ইসরাইলের ওই হামলার ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড সৃষ্টি করার পাশাপাশি চারজনের প্রাণও কেড়ে নিয়েছে।

এক্সিওস বলছে, হামলার ব্যাপারে তেল আবিব আগে থেকেই ওয়াশিংটনকে জানিয়েছিল। ইসরাইল তাদের বলেছিল, ওই স্থাপনাগুলো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত হচ্ছিল। কিন্তু তাদের ওই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের ধারণাকেও ছাড়িয়ে যায়।

মার্কিন এক কর্মকর্তা এক্সিওসকে বলেন, হামলার ব্যাপ্তি দেখে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হতবাক হয়ে গেছে।

হামলার পর ওয়াশিংটনের দিক থেকে আসা বার্তাটি ছিল ‘হোয়াট দ্য ফাক’ (এটা কী হল), বলেছেন এক ইসরাইলি কর্মকর্তা।

এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত হোয়াইট হাউস বা ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী তেহরান ও এর আশপাশে তিনটি তেলের ডিপো ও একটি পরিশোধনাগারে হামলা চালানোর পর ইরানের রাজধানীর বিভিন্ন অংশে বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ছবি-ভিডিওতে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণহীন আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং বিষাক্ত গাঢ় কালো ধোঁয়া আশপাশের সবকিছুকে ঢেকে দিচ্ছে।

একটি তেলের ডিপো থেকে লিক হওয়া তেলে আগুন ধরে যাওয়ার পর সড়কে ‘আগুনের নদী’ দেখতে পাওয়ার কথা জানান স্থানীয়রা। হামলার পর তেল ও ধুলোবালি মিশ্রিত কালো বৃষ্টি লোকজনের ওপর পড়ে; কর্তৃপক্ষ ‘এসিড বৃষ্টির’ খবরে সবাইকে চার দেয়ালের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেয়।