Image description

করাচির মাজার-ই-কায়েদে জনসমাবেশ আয়োজন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ পিটিআইয়ের নেতারা। খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি ইতোমধ্যে সমাবেশস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন। তবে পিটিআই অভিযোগ করেছে, কর্তৃপক্ষ দলটির কর্মীদের সমাবেশস্থলে পৌঁছাতে বাধা ও বিভিন্ন সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে।

এই সমাবেশটি কেপি মুখ্যমন্ত্রীর সিন্ধুতে চার দিনের সফরের অংশ হিসেবে পরিকল্পিত, যেখানে তিনি দলের ‘স্ট্রিট মোবিলাইজেশন’ (রাজপথে জনসমাবেশ) আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শুক্রবার করাচিতে আফ্রিদির আগমনের মধ্য দিয়ে সফর শুরু হয়; এরপর তিনি গতকাল হায়দরাবাদ ও জামশোরো জেলা সফর করেন।

সন্ধ্যা ৭টা ৪৪ মিনিটে পিটিআই সিন্ধু সভাপতি হালিম আদিল শেখ জানান, বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবন্ধকতা এবং জনগণের ভালোবাসা, স্বাগত ও সাড়ার কারণে আফ্রিদির গাড়িবহর দেরির মুখে পড়েছে। রাত প্রায় ৯টার দিকে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ভেন্যুতে পৌঁছাবেন এবং সিন্ধু পুলিশ ও সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।

সিন্ধু সরকার পিটিআইকে বাগ-ই-জিন্নাহে সমাবেশ করার অনুমতি দিলেও, অনুমতিপত্র পেতে দেরি হওয়ায় পিটিআই আগে ঘোষণা দেয় যে তারা মাজার-ই-কায়েদের একটি গেটের কাছে সমাবেশ করবে।

পিটিআই বালদিয়া টাউন ও ইত্তেহাদ টাউনের খাইবার চকের এলাকায় তাদের সমর্থকদের পক্ষ থেকে দলীয় গাড়িবহরকে দেওয়া স্বাগত জানানো ভিডিওও প্রকাশ করে।

এর কিছু আগে পিটিআই দাবি করে, সিন্ধু পুলিশ আফ্রিদির গাড়িবহরকে এগোতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, তবে দলীয় কর্মীদের সহায়তায় পথ আবার খুলে দেওয়া হয়। ভিডিওতে পিটিআই নেতাদের পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়, এরপর গাড়িগুলোকে সামনে যেতে দেওয়া হয়।

পিটিআই আরও ভিডিও শেয়ার করে যেখানে বাগ-ই-জিন্নাহে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে ‘জিয়ে ইমরান’ ও ‘তেরে ইয়ার, মেরা ইয়ার, কয়েদি নম্বর ৮০৪’ স্লোগান দিচ্ছেন।

পিটিআই বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এই সমাবেশ হলো ইমরান খান, পাকিস্তান, প্রকৃত স্বাধীনতা, সংবিধান ও আইনের সর্বোচ্চতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আমাদের মৌলিক অধিকারের জন্য সব ত্যাগ স্বীকারের অঙ্গীকারের পুনর্নবীকরণ।’