থাইল্যান্ডের স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ আগস্ট) ব্যাংককের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় নোন্তাবুরি প্রদেশের বাং ক্রুয়াই জেলায় অবস্থিত 'দেবসিরিন নোন্তাবুরি স্কুলে' এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর আল জাজিরার।
পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারী ওই স্কুলেরই এক শিক্ষার্থী। গুলিবর্ষণের পর সে নিজেই আত্মহত্যা করে। আহত চারজনের মধ্যে একজন শিক্ষক ও তিনজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী রয়টার্সকে জানায়, শুরুতে শব্দটিকে আতশবাজি কিংবা কোনো কিছু দিয়ে আঘাত করার শব্দ মনে করেছিল সবাই। পরের শব্দ শুনে বোঝা গেল এটি বন্দুকের গুলি।
ঘটনার পরপরই জরুরি সেবামূলক সংস্থার কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। অ্যাম্বুলেন্সে করে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার দৃশ্য এবং আতঙ্কিত শিক্ষার্থীদের স্কুল প্রাঙ্গণ ছেড়ে যাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এই বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩ হাজার ১০০ শিক্ষার্থী এবং ১৪৭ জন শিক্ষক ছিলেন। থাইল্যান্ডে অস্ত্র আইন বেশ কঠোর হলেও এই অঞ্চলে বন্দুকের মালিকানার হার তুলনামূলক বেশি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের হাতাই জেলায় একটি স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় এক শিক্ষক নিহত ও এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছিল। এ ছাড়া ২০২২ সালের অক্টোবরে নং বুয়া লামফু প্রদেশে একটি শিশু যত্ন কেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছিল এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। ওই ঘটনার পর দেশটিতে অস্ত্র কেনা বা লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে মেডিকেল মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক করাসহ অস্ত্র আইন আরও কঠোর করা হয়।