মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে ইরানের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে।
এর আগে উত্তর সাগরের ব্রেন্ট ক্রুডের সেপ্টেম্বর সরবরাহের জন্য প্রতি ব্যারেলের দাম রাতারাতি প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৪২ ডলারে পৌঁছায়, যা এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। পরে দাম কিছুটা কমে প্রায় ৯০ দশমিক ২০ ডলারে লেনদেন হয়।
জুলাইয়ের শুরু থেকে বৈশ্বিক মানদণ্ডের এই তেলের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
এসপিআই অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিশ্লেষক স্টিফেন ইনেস বলেন, “বাজার এখন একই সঙ্গে দুটি পরস্পরবিরোধী পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।”
তার মতে, তেলের দাম বাড়ায় বাজারে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির প্রভাব বেড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি কমে আসা এবং শ্রমবাজারে শীতলতার লক্ষণ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, জ্বালানি খাতের এই ধাক্কা নতুন করে ব্যাপক মূল্যস্ফীতির চক্র শুরু নাও করতে পারে।
গত এক সপ্তাহে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে জাহাজ চলাচল দীর্ঘমেয়াদে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হতো।
সূত্র: আল জাজিরা