Image description

ডি-ডে’র ৮২তম বার্ষিকীর দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রশংসামূলক একটি এআই মিউজিক ভিডিও শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভিডিওটিতে দাবি করা হয়, বিশ্বজুড়ে মানুষ তাকে ভালোবাসে।

গত ৬ জুন ট্রাম্প তার সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ‘ট্রাম্প’ শিরোনামের ভিডিওটি প্রকাশ করেন। এটি তৈরি করেছেন নিউইয়র্কের কংগ্রেস প্রার্থী অ্যান্থনি কনস্ট্যান্টিনো, যাকে সম্প্রতি সমর্থন দিয়েছেন ট্রাম্প।

ভিডিওটিতে ট্রাম্পকে বিভিন্ন কল্পিত দৃশ্যে দেখা যায়। কোথাও তিনি সিংহের পিঠে চড়ে আছেন, কোথাও মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউমের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন। আবার কোথাও তাকে হোয়াইট হাউসে ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০-এর একটি লড়াইয়ে অংশ নিতে দেখা যায়। ভিডিওজুড়ে একটি গানে বারবার বলা হয়, ‘আমি যেখানেই যাই, সবাই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে।’

৬ জুন কয়েক ঘণ্টা ধরে ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে এটিই ছিল একমাত্র পোস্ট। পরে তিনি লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কারকাজ নিয়ে একটি পোস্ট দেন। এরপর সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নিয়ে এআই দিয়ে তৈরি একটি ব্যঙ্গাত্মক ছবি শেয়ার করেন।
ছবিটিতে লাইব্রেরিটিকে জরাজীর্ণ অবস্থায় দেখানো হয়। চারপাশে গৃহহীনদের তাঁবু ও ভবনের ওপরে ময়লার স্তূপও যুক্ত করা হয়। ছবির ক্যাপশনে ট্রাম্প লেখেন, ‘বারাক হোসেন ওবামা লাইব্রেরি, পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার ১০ বছর পরের অবস্থা!’

এদিকে ৬ জুন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঐতিহাসিক ডি-ডে’র ৮২তম বার্ষিকী। ১৯৪৪ সালের এই দিনে মিত্রবাহিনী ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলে অবতরণ করে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে বড় সামরিক অভিযান শুরু করেছিল।

ডি-ডে উপলক্ষে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে কোনো স্মরণবার্তা দেখা না গেলেও হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে নিহত সেনাদের স্মরণে পোস্ট করা হয়। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সদস্য ও ফেডারেল বিভাগও দিনটি স্মরণ করে বার্তা প্রকাশ করে।

ফ্রান্সে ডি-ডে উদযাপনে অংশ নেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। সেখানে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিচারণার পাশাপাশি ইউরোপের বর্তমান অভিবাসন পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেছেন।
হেগসেথ বলেছেন, ‘আজ ইউরোপের বিভিন্ন উপকূলে ভিন্নধারার ও বিপজ্জনক আদর্শের মানুষের ঢল নামছে। স্পেন, ইতালি, গ্রিস ও বুলগেরিয়ার উপকূলে দলে দলে নৌকা এসে ভিড়ছে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘ইউরোপীয় দেশগুলো কবে এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।’

সুত্র : দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট