Image description

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো ট্রাম্প প্রশাসনের ভঙ্গুর কূটনৈতিক পরিস্থিতি এবং থমকে যাওয়া বিভিন্ন কূটনৈতিক ইস্যু নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের শুনানিতে হাজির হতে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ক্যাপিটল হিলে অনুষ্ঠেয় এই শুনানিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে তাকে একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে।

 

 

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেটের রিপাবলিকান সদস্যরা মঙ্গলবার বৈঠকে বসে ১ দশমিক ৭৭৬ বিলিয়ন ডলারের বিতর্কিত ‘নিষ্পত্তি তহবিল’ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ আলোচনা করবেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক মিত্রদের ক্ষতিপূরণ দিতে তৈরি করা এই তহবিলটি আদালতের নির্দেশে স্থগিত করেছে দেশটির বিচার বিভাগ। মূলত বিচার বিভাগের বাজেট নিয়ে আলোচনার কথা থাকলেও আইন প্রণেতারা এই বিতর্কিত তহবিল নিয়েই তাকে বেশি প্রশ্ন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া হাউস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন কমিটির শুনানিতে অংশ নেবেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ।


 

অন্যদিকে মঙ্গলবার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক আকস্মিক ঘোষণায় বিল পুলটেকে ভারপ্রাপ্ত জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। বিল পুলটে বর্তমানে ফেডারেল হাউজিং ফাইন্যান্স এজেন্সির পরিচালক এবং বন্ধকী প্রতিষ্ঠান ফ্যানি মে ও ফ্রেডি ম্যাকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। এ ছাড়া পুলটে এর আগে ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, ‘উইলিয়ামের (বিল পুলটে) আমেরিকার অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়গুলো এবং ফ্যানি মে ও ফ্রেডি ম্যাকের ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি সম্পদ ব্যবস্থাপনার গভীর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

 

ট্রাম্প জানান, গত মাসে তুলসী গ্যাবার্ড পদত্যাগ করার পর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে পুলটে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি নতুন এই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে স্থায়ী নিয়োগের জন্য তাকে পরবর্তীতে সিনেটের অনুমোদন নিতে হবে।

এদিকে অভিবাসন নীতি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো কঠোর অবস্থানের পথে হাঁটছে। ২৭টি দেশের এই জোট তাদের অভিবাসন নীতিতে আমূল পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করেছে, যার লক্ষ্য হলো ২৭ দেশের বাইরে ডিটেনশন সেন্টার বা আটক কেন্দ্র তৈরি করে দ্রুত নির্বাসন প্রক্রিয়া কার্যকর করা।

সাইপ্রাসের উপ-অভিবাসন মন্ত্রী নিকোলাস আয়োনিডেস বলেন, ‘নতুন এই নিয়ম ইইউতে বসবাসের আইনি অধিকার নেই এমন ব্যক্তিদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে।

 

তবে সমালোচকেরা এই নতুন নিয়মকে ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রাসী অভিবাসন নীতির সঙ্গে তুলনা করেছেন।