Image description

হরমুজ প্রণালিতে ইরানি নৌযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হামলায় পাঁচজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

 

যেসব নৌযানে হামলার কথা বলেছে, সেগুলো ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নয় বলে দাবি করেছে তেহরান। নৌযানগুলো বেসামরিক ব্যক্তিদের ছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

 

ইরানের দাবি, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো (যুদ্ধজাহাজ) তাদের রাডার বন্ধ রেখে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইরানি নৌবাহিনী এ অঞ্চলে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখায় রাডার চালু করার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো ধরা পড়ে যায়।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনাক্ত করার পর ইরানি নৌবাহিনী মার্কিন জাহাজগুলো লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গোলাবর্ষণ করে। সতর্কবার্তার অংশ হিসেবে কমব্যাট ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ব্যবহার করা হয়। ফলে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

 

তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনী যদি আবারও হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তা যুদ্ধবিরতি চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।

 

এদিকে ইরানের সাতটি দ্রুতগতির নৌযানে হামলা চালিয়ে ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে এই জলপথ দিয়ে নিরাপদে বের করে আনতেই ওয়াশিংটন এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

তিনি আরও দাবি করেন, উপসাগরে ইরানের কাছে শুধু এই নৌযানগুলোই অবশিষ্ট ছিল।

 

মঙ্গলবার ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের সামরিক বাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে নৌযানগুলোতে হামলা চালায়।

 

এ ছাড়া ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দায়ের বন্দরে নোঙর করে রাখা বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।