Image description

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক তেলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই কৌশলের মাধ্যমে ইরানকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফ্র্যাংক মুসামার বলেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ পথ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব তেলবাজারে প্রভাব বাড়াতে চাইছে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

তিনি আরও জানান, খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র, যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়। ফলে এই জায়গাগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে ইরানের ওপর বড় চাপ তৈরি করা সম্ভব।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিও বাড়ছে। যুদ্ধজাহাজ, বিশেষ বাহিনী ও হাজার হাজার সেনা সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং কৌশলগত অবস্থান শক্ত করার অংশ।

যুদ্ধ শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়েছে। আগে যেখানে তেলের দাম ছিল প্রায় ৭০ ডলার, এখন তা ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপের ফলে ইরানের অভ্যন্তরেও চাপ বাড়ছে এবং তাদের সামরিক ও প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হতে পারে।