প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ইরানের ছোড়া দুটি ড্রোন কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি জ্বালানি ট্যাংকে আঘাত করে। আজ বৃহস্পতিবার রাতেও (গতকাল বুধবার দিবাগত রাত) কর্তৃপক্ষ সেই আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে যখন মাত্র একটি বা দুটি ড্রোনও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়, তখন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয় ভয়াবহ।
এদিকে, গত কয়েক ঘণ্টায় বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতেও ইরানের হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে।
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মুহাররাক এলাকার একটি স্থাপনায় লাগা আগুন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা নিভিয়ে ফেলেছেন। সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বিপদ সংকেত বা সাইরেন বেজেছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, তারা তাদের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ থেকে ১০টির বেশি ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। দেশটির অধিকাংশ তেল স্থাপনা এ এলাকাতেই অবস্থিত।
তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা