বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোট গ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে এর মাঝে দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার জন্য নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি থাকবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৫৭৩ জন।
নির্বাচন ঘিরে এক মাস ধরে চলচ্চিত্রশিল্পীদের উপস্থিতিতে সরগরম ছিল এফডিসি প্রাঙ্গণ। প্রার্থীদের ব্যস্ততা, সমর্থকদের আনাগোনা এবং নানামুখী প্রচারণায় পুরো এলাকায় দেখা গেছে নির্বাচনী আবহ।
এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। এর মধ্যে একটি প্যানেলের নেতৃত্বে আছেন আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তি। আরেকটিতে আছেন শিবা শানু ও জয় চৌধুরী।
আরমান-মুক্তি পরিষদে সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন চিত্রনায়িকা নূতন ও খলনায়ক ইলিয়াছ কোবরা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চুন্নু, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে রাসেল মিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদে খল অভিনেতা কামরুজ্জামান কমল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ প্যানেলের কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থীরা হলেন- মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, দুলারী, রাকা, শারমিন আক্তার, লতিফ (চিতা), নাসরিন, সুশান্ত, শাহীন কমেডি, বাদল শেখ, আরমান খান ও শামীম খান (চিকন আলী)।
শিবা সানু-জয় চৌধুরী পরিষদ থেকে সহ-সভাপতি পদে ডি এ তায়েব ও রোজিনা; সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পলি, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মুশফিকুর রহমান কাকন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর এবং কোষাধ্যক্ষ পদে জাদু আজাদ প্রার্থী হয়েছেন।
এ প্যানেলের কার্যকরী পরিষদ সদস্য প্রার্থীরা হলেন- আলীরাজ, ফরহাদ, শিপন মিত্র, ফিরোজ শাহী, ইয়ামীন হক ববি, হাসান জাহাঙ্গীর, শিরিন শিলা, ফাল্গুনী রহমান জলি, কায়েশ আরজু ও কাবিলা।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু। নির্বাচন কমিশনে তার সঙ্গে আরও যুক্ত আছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু ও বি এইচ নিশা। অন্যদিকে, নির্বাচন পরবর্তী যেকোনো জটিলতা নিরসনে আপিল বোর্ডের দায়িত্বে রয়েছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ছটকু আহমেদ, কাজী হায়াৎ ও বাদল খন্দকার।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এফডিসিজুড়ে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি এফডিসি প্রাঙ্গণে তৎপর রয়েছেন র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।