উৎসবের মৌসুস শুরু হচ্ছে ভারতে। এই মৌসুমে বেড়ে যায় স্বর্ণের গহনার কদর। কিন্তু উল্টো পথে হাঁটছে মোদি সরকার। এই উৎসবে প্রয়োজন ছাড়া স্বর্ণ না কিনতে ভারতীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।
গত মে মাসে প্রথমবার মতো এক বছরের জন্য অপ্রয়োজনে স্বর্ণ কেনা থেকে বিরত থাকতে ভারতীয়দের প্রতি আহ্বান জানান মোদি। ইরান যুদ্ধের কারণেই এমন আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। তবে চলতি মাসেও একই ধরনের আহ্বান জানালন তিনি।
কিন্তু উৎসবের এই মৌসুমে বিয়েরও হিড়িক পড়ে যায় ভারতে। তাই স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায় স্বর্ণের বিক্রি।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল জুন মাসে জানায়, প্রধানমন্ত্রী মোদির আহ্বান বিশেষ করে শহুরে বাজারে ঐচ্ছিক বা অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটায় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে হচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রবণতাগুলো দেখাচ্ছে, ভোক্তারা স্বর্ণ কেনা পুরোপুরি ছেড়ে দেয়ার পরিবর্তে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন। তাই চলতি বছর গণেশ চতুর্থীর সময় স্বর্ণ বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে।
ভারতের ব্যবহার করা স্বর্ণের অধিকাংশই আমদানি করা। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ভারতের স্বর্ণ সরবরাহের ৮২ শতাংশ এসেছে আমদানির মাধ্যমে। আর বাকি অংশের বড় একটি ভাগ এসেছে পুনর্ব্যবহার থেকে।
প্রসঙ্গত,ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) বলছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৭৮০.৭৮ বিলিয়ন ডলার। এর এক সপ্তাহ আগে তা ছিল রেকর্ড ৭৮৫.৭১ বিলিয়ন ডলার।