পবিত্র রমজান মাসে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ধনে’ ইসরায়েল ইরানে যে হামলা চালিয়েছে, তা শান্তিকামী মানুষের হৃদয়ে আঘাত দিয়েছে এবং গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছে খেলাফত মজলিস।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সাপ্তাহিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতারা এ মন্তব্য করেন।
তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই হামলার মধ্য দিয়ে অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সন্ত্রাসী চরিত্রের আবারও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। এ ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ বিশ্বশান্তির জন্য হুমকি এবং তা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বৈঠকে জাতিসংঘসহ বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ইসরায়েলের এহেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে আগ্রাসী ইসরায়েলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের তীব্র জবাব দিতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক সামরিক পদক্ষেপ ও হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। উভয় দেশের নেতৃবৃন্দকে অবিলম্বে এই ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া দেশে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবি জানানো হয়।
সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন-এর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক আবদুল করিম, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মাহবুবুর রহমান, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা নুরুল হক, কর্ণেল (অব.) ডা. এমদাদুল হক, আবুল হোসেন এবং আমীর আলী হাওলাদার।