ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে পুনর্গণনার আবেদনসহ সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ৩০ আসনের বিষয়ে জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ৩০টি আসনে ৫ থেকে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে নানা অনিয়ম হয়েছে। যেগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় রিটার্নিং অফিসের কাছে আমাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ দিয়ে সেখানে পুনরায় ভোট গণনার আবেদন করা হয়েছে।
যে ৩০ আসনে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে জামায়াত
পঞ্চগড়-১ (সারজিস আলম), ঠাকুরগাঁও-২ (মো. আব্দুল হাকিম), দিনাজপুর-৩ (মো. মাইনুল আলম), দিনাজপুর-৫ (মো. আব্দুল আহাদ), লালমনিরহাট-১ (আনোয়ারুল ইসলাম রাজু), লালমনিরহাট-২ (মো. ফিরোজ হায়দার), গাইবান্ধা-৪ (মো. আব্দুল রহিম সরকার), বগুড়া-৩ (নূর মোহাম্মদ), সিরাজগঞ্জ-১ (মো. শাহিনুর আলম), যশোর-৩ (মো. আব্দুল কাদের), খুলনা-৩ (মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান), খুলনা-৫ (জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার), বরগুনা-১, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১ (মো. তাজুল ইসলাম), ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ-৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮ (নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী), ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩ (মামুনুল হক), ঢাকা-১৭, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪, কক্সবাজার-৪।
জনকণ্ঠ